দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা বৈষম্য, বঞ্চনা আর আগ্রাসন থেকে দেশের মানুষের ‘সেফ এক্সিট’ হলেই খুশি হবেন বলে জানালেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ এবং মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফারুক ই আজম।
তিনি বলেন, ‘এতদিন ধরে আমাদের মধ্যে বৈষম্য, আগ্রাসন ও জনগণের অধিকার বঞ্চনার যে বিষয়গুলো ছিল, সেগুলো থেকে জাতির সেফ এক্সিট হলে আমরা খুশি। সেই লক্ষ্যেই আমরা সবাই মিলে কাজ করছি।’
রোববার বরিশালে টাইফয়েড টিকা কার্যক্রমের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, সরকারের অনেক উপদেষ্টাই সেফ এক্সিট বা নিরাপদে প্রস্থানের উপায় খুঁজছেন। এর পরপরই দলটির আরেক নেতা সারজিস আলমও একই অভিযোগ আনেন।
যার পরিপ্রেক্ষিতে দেশের নানা মহলে শুরু হয় সেফ এক্সিট নিয়ে আলোচনা। যেহেতু নাহিদ কোনো নির্দিষ্ট উপদেষ্টার নাম বলেননি। তাই যখনই সরকারের কোনো উপদেষ্টাকে প্রশ্ন করার সুযোগ পাচ্ছেন সাংবাদিকরা, তখনই অবধারিতভাবে এসে যাচ্ছে ‘সেফ এক্সিট’ প্রসঙ্গ।
বরিশালে ফারুক ই আজমের সঙ্গে সাংবাদিকদের আলাপকালে আসে প্রসঙ্গটি।
তখন তিনি বলেন, ‘বৈষম্য আর অধিপত্যবাদের আগ্রাসন থেকে আমাদের সেফ এক্সিট দরকার সবার আগে।’
দেশের জন্য যুদ্ধের প্রসঙ্গ টেনে এই বীর মুক্তিযোদ্ধা বলেন, ‘ব্যাক্তিগত ব্যাপার হলে আমি তো দেশের জন্য যুদ্ধই করেছি। এদেশ থেকে যাওয়ার আর আমার জায়গা কোথায়? আমাদেরকে এখানেই থাকতে হবে।’
এসময় বরিশাল সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের টিকা কর্মসূচির উদ্বোধন ঘোষণা করেন ফারুক ই আজম।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘এই রোগটা প্রতিরোধে টিকা ক্যাম্পেইন আশীর্বাদ স্বরূপ। মাসব্যাপী এই ক্যাম্পেইন সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে। কারণ রোগ প্রতিরোধ হলো প্রতিকারের চেয়ে উত্তম।’


