সর্বশেষ যে মোটরসাইকেল নিয়ে বাসা থেকে বেরিয়েছিলেন বিমানবাহিনী থেকে বরখাস্ত হওয়া ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সাউরি, সেটি পাওয়া গেছে।
টঙ্গীর তুরাগ নদের যেখান থেকে তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল, তার ৫০ গজ দূরে মাজার বস্তি এলাকা থেকে মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করা হয় বলে জানান পিবিআই প্রধান মোস্তফা কামাল।
শুক্রবার সকালে এতথ্য নিশ্চিত করে পিবিআই সদর দপ্তরের পুলিশ সুপার আবু ইউসুফ বলেন, ঘটনাস্থলের কাছাকাছি এলাকা থেকে নম্বরপ্লেটবিহীন মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, উদ্ধার হওয়া মোটরসাইকেলটি তাহসিফের কি না, তা যাচাই করা হচ্ছে। এ ঘটনায় নৌ পুলিশকে তদন্তে সহায়তা করছে পিবিআই।
মঙ্গলবার রাতে স্থানীয় এক তরুণ দীপকে সঙ্গে নিয়ে উত্তরার বাসা থেকে বের হন তাহসিফ। এরপর তিনি আর বাড়ি ফেরেননি।
তাহসিফের সঙ্গে থাকা দীপকে নিয়ে রাতভর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানোর তথ্য জানিয়ে এই কর্মকর্তা বলেন, দীপ জানিয়েছেন, তারা ঘটনাস্থলে কথা বলছিলেন। এ সময় কয়েকজন তাদের ধাওয়া করেন। তখন তাহসিফ নদীতে ঝাঁপ দেন এবং দীপ সেখান থেকে পালিয়ে যান।
দীপের দেওয়া এই বক্তব্যসহ জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া অন্যান্য তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে বলে জানান আবু ইউসুফ।
তিনি আরও বলেন, উদ্ধার হওয়া মোটরসাইকেলটি তাহসিফের কি না, তা যাচাই করা হচ্ছে। এ ঘটনায় নৌ পুলিশকে তদন্তে সহায়তা করছে পিবিআই।
বুধবার বিকালে তুরাগ নদী থেকে তাহসিফের লাশ উদ্ধার করে নৌ-পুলিশ। রহস্যজনক মৃত্যুর আগে বাসা থেকে এই মোটরসাইকেল নিয়ে বের হয়েছিলেন তিনি। সঙ্গে থাকা হাতঘড়ি ও পকেটে থাকা আইফোনের সূত্র ধরে মরদেহটি তাহসিফ সাউরির বলে শনাক্ত করা হয়।
পরে দীপ জানিয়েছিলেন, তাহসিফের মোটরসাইকেলে সমস্যা থাকায় তারা ওয়ার্কশপে যান। মোটরসাইকেল ঠিক করার পর সেখান থেকে রুয়াপ কমপ্লেক্সে গিয়ে একটি রেস্টুরেন্টে একসঙ্গে রাতের খাবার খান। এরপর দীপ নিজের একটি কাজে চলে যান এবং পরে নিজের বাসায় ফিরে আসেন।
তারপর থেকেই তাহসিফের মোটরসাইকেলটির আর খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না।


