তাহেরের কড়া সমালোচনায় আতাউর রহমান

তাহেরের কড়া সমালোচনায় আতাউর রহমান
Advertisement
Advertisement

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশকে ভুলভাবে উপস্থাপন করে ‘দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রে’ অংশ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর সিনিয়র নায়েবে আমির আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ তাহেরের বিরুদ্ধে।

ইসলামী আন্দোলনের যুগ্ম মহাসচিব ও মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান রোববার এক বিবৃতিতে এ অভিযোগ করেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, সম্প্রতি ইসলামী আন্দোলনের দৃষ্টিগোচর হয়েছে জামায়াতের সিনিয়র নায়েবে আমির আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ তাহেরের একটি বক্তব্য, যেখানে তিনি আমেরিকান দূতাবাসের একজন কর্মকর্তার সঙ্গে আলাপচারিতায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সম্পর্কে মন্তব্য করেন যে, দলটির মধ্যে কিছু ‘এক্সট্রিমিজম’ রয়েছে।

এ বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছে, তারা এই অঞ্চলের হাজার বছরের সুফি ধারায় বিকশিত একটি আধ্যাত্মিক ও সংস্কারমূলক রাজনৈতিক আন্দোলন, যা ইসলামের দাওয়াতি চরিত্র ধারণ করে প্রীতি, ভালোবাসা, সেবা ও যুক্তিবোধের মাধ্যমে জনসমর্থন অর্জন করে আসছে।

মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নিয়মতান্ত্রিক ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় দেশে ইসলাম প্রতিষ্ঠার রাজনীতি করে আসছে এবং ইসলামবহির্ভূত বা ভ্রান্ত ধারণা থেকে উৎসারিত কথিত ‘উগ্রপন্থা’কে কখনোই সমর্থন করেনি।

আরও পড়ুন

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আলোচিত প্রসঙ্গে তাহের চাইলে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সম্পর্কে যথাযথ ধারণা তুলে ধরতে পারতেন, কিন্তু তিনি উল্টো বাংলাদেশে ‘এক্ট্রিমিজম’-এর অস্তিত্ব স্বীকার করে দলটিকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছেন। পশ্চিমা বিশ্বের কুখ্যাত ‘ওয়ার অন টেরর’ পরিভাষা ব্যবহার করে তিনি কার্যত বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন বলেও অভিযোগ করা হয়।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মুখপাত্র বলেন, দেশে উগ্রবাদ বা চরমপন্থার অস্তিত্ব খোঁজার প্রচেষ্টা দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের অংশ এবং সেই ষড়যন্ত্রে মুহাম্মাদ তাহের যুক্ত হয়েছেন।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, রাজনীতিতে ইসলামী আন্দোলনের কোনো ধরনের গোপনীয়তা নেই। তিন দশকের বেশি সময় ধরে দলটি বাংলাদেশে সক্রিয়ভাবে রাজনীতি করছে এবং সন্ত্রাসবাদ ও সহিংসতার বিরুদ্ধে সংস্কারমূলক ধারাকে শক্তিশালী করেছে। ফলে দলটির রাজনৈতিক অবস্থান ও পদ্ধতি কারও অজানা থাকার কথা নয়।

এ প্রেক্ষাপটে, ইসলামী আন্দোলন মুহাম্মাদ তাহেরের বক্তব্যে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসকে সম্পৃক্ত করার বিষয়টি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের স্পষ্ট বক্তব্য ও ব্যাখ্যা দাবি করেছে।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর