`জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার এবং জুলাই যোদ্ধাদের কল্যাণ ও পুনর্বাসন বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার এবং জুলাই যোদ্ধাদের কল্যাণ ও পুনর্বাসনসহ গণঅভ্যুত্থানের মর্ম ও আদর্শকে রাষ্ট্রীয় ও জাতীয় জীবনে সুপ্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে এবং এ সংক্রান্ত ইতিহাস সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে বিলটি উত্থাপন করা হয়।
শুক্রবার জাতীয় সংসদে বিলটি উত্থাপন করেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান। এ সময় সংসদ অধিবশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। বিলটি উত্থাপনের পর ডেপুটি স্পিকার বিলটি ভোটে দেন।
তখন সংসদ সদস্যরা ‘হ্যাঁ’ বলে বিলের পক্ষে সম্মতি দেন। এরপরই স্পিকার বিলটি পাস আকারে ঘোষণা দেন। সংসদ সদস্যরা দাঁড়িয়ে এবং টেবিল চাপড়ে এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানান। মাইক ছাড়াই অনেকে এটিকে ‘বিপ্লবের আইনি স্বীকৃতি’ হিসেবে অভিহিত করেন। সরকারের দলের পক্ষ থেকে বিরোধী দলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।
বিলের উদ্দেশ্য ও বিষয়বস্তু অনুযায়ী, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের পরিবার এবং আহত যোদ্ধাদের কল্যাণ ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করার পাশাপাশি এই অভ্যুত্থানের প্রকৃত মর্ম ও আদর্শকে রাষ্ট্রীয় ও জাতীয় জীবনে সুপ্রতিষ্ঠিত করা এবং সঠিক ইতিহাস সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে এই আইনটি প্রণয়ন করা হয়েছে।
মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ২০২৫ সালের ১৭ জুন এ ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার এবং জুলাই যোদ্ধাদের কল্যাণ ও পুনর্বাসন অধ্যাদেশ, ২০২৫’ জারি করে। ইতোমধ্যে কার্যকর হওয়া সেই অধ্যাদেশটি জাতীয় সংসদে বিলটি পাসের মাধ্যমে স্থায়ী আইনে পরিণত হয়।


