রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগের সমন্বিত উচ্ছেদ অভিযানে ১ লাখ ৯২ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। একই সঙ্গে ২৩ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বুধবার দিনব্যাপী পরিচালিত এসব অভিযানে ফুটপাত ও সড়কের অবৈধ দখল উচ্ছেদ, জরিমানা আদায়, মালামাল জব্দ এবং আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায় ডিএমপি।
ট্রাফিক লালবাগ বিভাগ জানায়, কোতয়ালী ট্রাফিক জোনের গোয়ালঘাট-নারিন্দা এলাকায় অভিযানে আইন অমান্য করায় ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ অনুযায়ী মামলা দায়েরসহ বিভিন্ন মালামাল জব্দ করা হয়েছে। গ্রেপ্তারদের আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগ জানায়, যাত্রাবাড়ী জোনের ধোলাইপাড় থেকে যাত্রাবাড়ী মোড় এবং শহীদ ফারুক সরণি এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে রাস্তার পাশে অবৈধ দোকান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান উচ্ছেদ করা হয়।
আইন অমান্য করায় সাতজন ব্যবসায়ীকে মোট ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং অন্যদের সতর্ক করা হয়।
ট্রাফিক রমনা বিভাগ জানায়, মগবাজার মোড় থেকে বাংলামটর সিগন্যাল পর্যন্ত ফুটপাত দখলমুক্ত করতে অভিযান চালানো হয়।
এ সময় অবৈধভাবে পার্কিং করা বাইকের বিরুদ্ধে ৪৯টি ভিডিও মামলা ও ১০টি তাৎক্ষণিক মামলা দেওয়া হয়। মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং প্রায় তিন পিকআপ সমপরিমাণ মালামাল জব্দ করা হয়।
ট্রাফিক মিরপুর বিভাগ জানায়, পল্লবী জোনের কাজীপাড়া, শেওড়াপাড়া ও ভাষানটেক এলাকায় অভিযানে ছয়জন ব্যবসায়ীকে ৬৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং সড়ক দখলমুক্ত করা হয়।
ট্রাফিক মতিঝিল বিভাগ জানায়, নাইটিঙ্গেল মোড় থেকে ফকিরাপুল কাঁচাবাজার পর্যন্ত সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত করতে অভিযান চালানো হয়। এতে প্রায় ৭০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় এবং ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ট্রাফিক তেজগাঁও বিভাগ জানায়, ইন্দিরা রোড এলাকায় অবৈধ দখল উচ্ছেদ করে মালামাল অপসারণের পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়।
ট্রাফিক গুলশান বিভাগ জানায়, অবৈধভাবে ফুটপাত দখল করে ব্যবসা পরিচালনার দায়ে প্রায় ৫০টি দোকানকে সতর্ক করা হয় এবং বিধি লঙ্ঘনের অপরাধে ২৭ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
ট্রাফিক উত্তরা বিভাগ জানায়, অবৈধভাবে ফুটপাত দখল করে ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগে দোকানদারদের মৌখিকভাবে সতর্ক করা হয়।
জনসাধারণের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে এবং সড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়।


