মায়ের পর পদ্মায় মিলল জাবি শিক্ষার্থী রাইয়ান ও ভাগ্নের মরদেহ

মায়ের পর পদ্মায় মিলল জাবি শিক্ষার্থী রাইয়ান ও ভাগ্নের মরদেহ
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আহনাফ তাহমিদ খান রাইয়ান। ছবি: সংগৃহীত
Advertisement
Advertisement

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটে বাস ডুবির ঘটনায় নিখোঁজ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) অর্থনীতি বিভাগের ৪৯তম ব্যাচের শিক্ষার্থী আহনাফ তাহমিদ খান রাইয়ান এবং তার ভাগ্নের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর আগে, একই ঘটনায় তার মায়ের মরদেহও উদ্ধার করা হয়।

বৃহস্পতিবার সকালে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে পরিবারের সদস্য ও সহপাঠীরা উদ্ধার হওয়া মরদেহগুলো শনাক্ত করেন। দুর্ঘটনার সময় একই বাসে রাইয়ান, তার মা, বড় বোন ও ভাগ্নে ছিলেন। দুর্ঘটনার পর গুরুতর আহত অবস্থায় বড় বোনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

পরিবার জানিয়েছে, বুধবার ফেরিতে ওঠার সময় বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে পড়ে যায়। এ সময় প্রাণ বাঁচাতে হুড়োহুড়ির মধ্যে রাইয়ানের বড় বোন কোনোভাবে বের হতে সক্ষম হলেও রাইয়ান, তার মা ও ভাগ্নে বাসের ভেতরেই আটকা পড়েন।

রাইয়ান ও তার ভাগ্নের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

আরও পড়ুন

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সভাপতি মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম শোক প্রকাশ করে বলেন, ‘রাইয়ানের মৃত্যু অত্যন্ত বেদনাদায়ক এবং অপূরণীয় ক্ষতি। তিনি বিভাগের একজন মেধাবী ও সক্রিয় শিক্ষার্থী ছিলেন এবং সহশিক্ষা কার্যক্রমে তার অংশগ্রহণ ছিল উল্লেখযোগ্য।’

ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, দুর্ঘটনার প্রায় ছয় ঘণ্টা পর রাত সোয়া ১১টার দিকে উদ্ধারকারী জাহাজ হামজার সাহায্যে ডুবে যাওয়া বাসটি উদ্ধার করা হয়। বাসটির ভেতর থেকে ১৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এছাড়া হাসপাতালে নেওয়ার পর আরও দু’জনকে মৃত ঘোষণা করা হয়। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এ ঘটনায় মোট ২৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

এর আগে, কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে বাসটি অল্পসংখ্যক যাত্রী নিয়ে যাত্রা শুরু করলেও পথে বিভিন্ন স্থান থেকে যাত্রী ওঠানো হয়। দুর্ঘটনার সময় বাসটিতে প্রায় ৪০ জন যাত্রী ছিলেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad