পাবনায় ‘হাটের ইজারা’ নিয়ে বিরোধে জোড়া খুন

পাবনায় ‘হাটের ইজারা’ নিয়ে বিরোধে জোড়া খুন
প্রতীকী ছবি
Advertisement
Advertisement

পাবনার সদর উপজেলায় প্রতিপক্ষের গুলিতে হাটের ইজারাদার আব্দুস সালাম হাজী ও তার সহযোগী রিপন হোসেন নিহত হয়েছেন। পুলিশের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, হাটের ইজারা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ ছিল। এর জেরেই প্রতিপক্ষের লোকজন তাদের লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে আতাইকুলা থানার পুষ্পপাড়া বাজারে এ ঘটনা ঘটে। পাবনার পুলিশ সুপার আবু আশ্রাফ টাইমসকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নিহত সালাম হাজীর বয়স ৫৫ বছর এবং রিপন হোসেনের ৫০ বছর। তাদের বাড়ি আতাইকুলা থানার ধর্মগ্রামে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পুষ্পপাড়া হাটের ইজারা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। হাটের বর্তমান ইজারাদার সালাম তার সহযোগীদের নিয়ে হাটের অফিসকক্ষে বসেছিলেন। এ সময় মুখোশ পরা কয়েকজন সেখানে এসে তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে পালিয়ে যায়।

স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে দ্রুত পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক সালাম ও রিপনকে মৃত ঘোষণা করেন।

আরও পড়ুন

পুলিশ সুপার আবু আশ্রাফ বলেন, ‘আমাদের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, হাটের ইজারা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ ছিল। এর জেরেই প্রতিপক্ষের লোকজন তাদের লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছে। দুজন গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে।’

তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় তদন্ত চলছে। হত্যাকাণ্ডে কারা জড়িত, তা খুঁজে বের করা হবে। বিস্তারিত পরে জানানো যাবে।

আতাইকুলা ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম মনা জানান, নিহত রিপন এই ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সভাপতি ছিলেন। আর সালাম শ্রমিক লীগ করতেন। তবে তিনি শ্রমিক লীগের কোন পদে ছিলেন, তা তার জানা নেই।

পাবনা জেলা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক প্রদীপ কুমার জানান, সালাম পাবনা সদর উপজেলা শ্রমিক লীগের আহ্বায়ক ছিলেন। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে ছবি পোস্ট করেন। তিনি পদ থেকে পদত্যাগ করেননি।

পাবনা জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আনিসুল হক বাবু বলেন, ‘নিহত রিপন দলের একজন নিবেদিত কর্মী ছিলেন। তিনি আতাইকুলা ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সভাপতি ছিলেন। তার মৃত্যুতে আমরা শোকাহত। কারা এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে আশা করি, খুব শিগগিরই তাদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় এনে শাস্তি দেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে দলের পক্ষ থেকে আমাদের যা যা করণীয়, আমরা করব।’

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad