গাজীপুরের শ্রীপুরে স্বামীকে পাশের ঘরে আটকে রেখে এক পোশাকশ্রমিককে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নয়ন মিয়া (২৮), ফারুক (৩০) ও তাদের দুই সহযোগীর বিরুদ্ধে মামলা করেছেন ভুক্তভোগী।
বৃহস্পতিবার শ্রীপুর থানায় মামলাটি করেন ওই নারী। তিনি শেরপুরের বাসিন্দা। স্বামীর সঙ্গে শ্রীপুরে ভাড়া বাসায় থাকেন। তিনি স্থানীয় একটি পোশাক কারখানা কাজ করেন।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত সোমবার বাসা পরিবর্তনের উদ্যোগ নেন ওই দম্পতি। বাড়ির মালিককে তিন মাসের অগ্রিম ভাড়া দিয়ে মালামাল সরানোর কাজ শুরু করেন তারা। এ সময় ফারুক ও নয়ন জোর করে ওই নারীর স্বামীকে অন্যত্র নিয়ে যান। পরে সন্ধ্যায় তিনি বাসায় ফেরেন।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, রাত সাড়ে ৮টার পর ফারুক, নয়ন ও তাদের দুই সহযোগী বাসায় ঢোকেন। তারা তার স্বামীকে মারধর করে পাশের ঘরে আটকে রাখেন। পরে হাত-পা বেঁধে ও গলায় ছুরি ধরে চারজন মিলে তাকে ধর্ষণ করেন।
ভুক্তভোগী জানান, অভিযুক্তদের হুমকির ভয়ে ঘটনার পর দুই দিন ঘর থেকে বের হতে পারেননি তিনি। অভিযুক্তরা বাড়ির আশপাশে অবস্থান করছিলেন। পরে স্বজনদের খবর দিলে তারা এসে ওই দম্পতিকে থানায় যেতে সহায়তা করেন।
ভুক্তভোগীর স্বামী জানান, তাকে মারধর করে পাশের ঘরে আটকে রাখা হয়েছিল। অভিযুক্তরা তাকে বলেছিলেন, তার স্ত্রী টাকা আনতে গেছেন। পরে স্ত্রীর কাছে গিয়ে নির্যাতনের বিষয়টি জানতে পারেন তিনি। বিচার চাইতে বের হওয়ার চেষ্টা করলে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহীনুর আলম বলেন, খবর পেয়ে রাতেই অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হয়েছে। ভুক্তভোগীকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।


