ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে ব্যাপক ধরপাকড় ও কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থার মধ্যেও টানা দ্বিতীয় দিনের মতো বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। তাদের প্রতিরোধে রোববারও দিল্লিজুড়ে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা ও বিধিনিষেধ বহাল রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দিল্লি পুলিশ।
এর আওতায় নির্ধারিত বিক্ষোভস্থল যন্তর মন্তর এলাকা ঘিরে রাখা হয়েছে, রাজধানীর প্রবেশপথগুলোতে প্রতিবন্ধকতা বজায় রাখার পাশাপাশি ৩০টি স্থানে যান চলাচলের পথ পরিবর্তন করা হয়েছে। তবে নিরাপত্তাসংক্রান্ত বিধিনিষেধ বহাল থাকলেও পাতালরেল, রেল পরিষেবা ও মেট্রোস্টেশনগুলোর ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হচ্ছে।
দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, পরিস্থিতি অনুযায়ী রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হবে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত দিল্লি পুলিশ ও কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা মোতায়েন থাকবেন।
শনিবার দিল্লিজুড়ে ৪০ হাজারের বেশি নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হয়েছিল। তাদের মধ্যে অতিরিক্ত ২৬ হাজার সদস্যকে নিরাপত্তা জোরদারে নিয়োজিত করা হয়। ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারির পর দিল্লিতে এটিই ছিল এ ধরনের সবচেয়ে বড় নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েনের ঘটনা।
অন্যদিকে সিজেপির নেতারা জানিয়েছেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার পদত্যাগ না করা পর্যন্ত তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।
সিজেপির নেতা অভিজিৎ দীপকেকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার পর আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়ার দায়িত্ব পান অজিঙ্ক্য শিন্ডে। তিনি জানিয়েছেন, বিক্ষোভকারীরা রোববার আবারও যন্তর মন্তরে পৌঁছানোর চেষ্টা করবেন। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তাদের আন্দোলন চলবে।
শিন্ডে বলেন, ‘সরকার ভেবেছিল, অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে আটক করার পর আমরা পিছু হটব। কিন্তু আমরা পিছু হটব না। জ্ঞানেশ কুমার পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে।’


