চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা থানার চণ্ডীপুর গ্রামে ইউপি সদস্য আবু সিদ্দিককে (৫৫) গ্রেপ্তারের পর ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ সময় পুলিশের দুই সদস্য আহত হয়েছেন।
বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে দুই নারীসহ চারজনকে আটক করেছে পুলিশ।
আটক ব্যক্তিরা হলেন চণ্ডীপুর গ্রামের সঞ্চয়ের স্ত্রী কনা রানী, সনজিতের স্ত্রী সোনালী, রবি হালদারের ছেলে লক্ষণ ও সেলিম উদ্দিনের ছেলে ফিরোজ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাতে দর্শনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মো. মোখলেছুর রহমানের নির্দেশে একদল পুলিশ চণ্ডীপুর গ্রামে অভিযান চালায়। এ সময় একাধিক মামলার আসামি আবু সিদ্দিককে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি কুড়ুলগাছি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি।
পুলিশ জানায়, আবু সিদ্দিককে গ্রেপ্তারের পর তার পরিবারের সদস্যসহ স্থানীয় লোকজন বাধা দেন। একপর্যায়ে তারা দুই পুলিশ সদস্যকে আহত করে আবু সিদ্দিককে ছিনিয়ে নেন। পরে তিনি হ্যান্ডকাপসহ পালিয়ে যান।
দর্শনা থানার ওসি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। তাকে ধরতে পুলিশের একাধিক দল অভিযান চালাচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আবু সিদ্দিকের বিরুদ্ধে থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।’
দামুড়হুদা-জীবননগর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. নুরুল্লাহ বলেন, ‘রাতে দর্শনা থানা পুলিশের একটি দল চণ্ডীপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে ইউপি সদস্য আবু সিদ্দিককে গ্রেপ্তার করে। এরপর তার পরিবারের সদস্যরা পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এতে আমাদের দুই পুলিশ সদস্য আহত হন।’
তিনি বলেন, ‘ঘটনার পর আসামি আবু সিদ্দিক হ্যান্ডকাপসহ পালিয়ে যান। তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’
পুলিশের ওপর হামলা ও আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।


