বাগেরহাটের মোল্লাহাটে মাছের ঘেরের পাড় থেকে মুসলিমা (৭) নামে এক শিশুর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে স্বজনরা।
শনিবার সন্ধ্যার পর উপজেলার কোদালিয়া ইউনিয়নের কচুড়িয়া মধ্যপাড়া এলাকা থেকে পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত মুসলিমা ওই এলাকার ইসলাম শেখের মেয়ে। এ ঘটনায় হত্যায় জড়িত সন্দেহে কয়েকটি বাড়ি ঘরে আগুন দেয় নিহত শিশুর স্বজনরা।
পুলিশ জানিয়েছে, মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ভুক্তভোগী শিশুর বাবা বাদী হয়ে মোল্লাহাট থানায় একটি হত্যা মামলা করেছেন।
মামলায় এজাহার নামীয় তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তারা হলেন- কচুড়িয়া মধ্যপাড়া এলাকার জাহাঙ্গীর (৫৫) ও তার দুই ছেলে রমজান (১৯) এবং আব্দুর রহমান (২৭)। তারা সবাই মুসলিমার প্রতিবেশী।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার বিকালে সমবয়সী শিশুদের সঙ্গে বাড়ির পাশে খেলছিল মুসলিমা। এরপর তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। পরে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।
সন্ধ্যার পর স্থানীয়রা একটি মাছের ঘেরের পাড়ে পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় শিশুটিকে পড়ে থাকতে দেখেন। পরে কাছে গিয়ে তাকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়।
মোল্লাহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘শিশুটির মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ওই শিশুর বাবার করা মামলায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এলাকার পরিস্থিতি এখন শান্ত রয়েছে। তবে হত্যার রহস্য ও কারণ অনুসন্ধ্যানে আরও তদন্ত চলছে।’


