দেশে হাম উপসর্গে আরও পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ১৮৩ জন সন্দেহজনক এবং ১০০ জন নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে।
এ ছাড়া চিকিৎসা নিতে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ১০৫ জন এবং চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ১ হাজার ১৩২ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সমন্বিত নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র থেকে প্রকাশিত বৃহস্পতিবারের স্বাস্থ্য সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
বিজ্ঞপ্তির তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া পাঁচজনের মধ্যে ঢাকা বিভাগে তিনজন এবং সিলেট বিভাগে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। জেলাভিত্তিক হিসাবে সর্বাধিক তিনজনের মৃত্যু রেকর্ড করা হয়েছে ঢাকা জেলায়।
গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগওয়ারী সন্দেহজনক হামের রোগী শনাক্তের চিত্রে দেখা যায়, সবচেয়ে বেশি ঢাকায় ৪৪২ জন আক্রান্ত হয়েছেন।
এ ছাড়া চট্টগ্রামে ২৪৩ জন, সিলেটে ১৫৬ জন, বরিশালে ১৩০ জন, খুলনায় ১০৩ জন, ময়মনসিংহে ৭২ জন, রাজশাহীতে ২৮ জন এবং রংপুর বিভাগে নয়জন সন্দেহজনক রোগী শনাক্ত হয়েছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত সারা দেশে মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৮৪ হাজার ৬৩২ জনে ও নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন ২০ হাজার ৯৫১ জন।
এখন পর্যন্ত হাম রোগে আক্রান্ত হয়ে মোট সন্দেহজনক মৃত্যুর সংখ্যা ৯৮০ এবং এর মধ্যে নিশ্চিত মৃত্যুর সংখ্যা ১০১ জন।
একই সময়ে মোট ১ লাখ ৬৩ হাজার ১৫৩ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এবং ১ লাখ ৫৬ হাজার ৭৪৪ জন সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন।
সারা দেশে ১৮ লাখ ১৫ হাজার ৬৪ জন লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ইতোমধ্যে ১৯ লাখ ৮৫৫ হাজার ২৭৪ জনকে টিকা প্রদান করা হয়েছে, যা লক্ষ্যমাত্রার ১১০ দশমিক ২ শতাংশ।
বিভাগীয় পর্যায়ে সর্বাধিক কাভারেজ অর্জিত হয়েছে ময়মনসিংহ বিভাগে (১১৫ দশমিক ৫) এবং সর্বনিম্ন কাভারেজ বরিশালে (১০৪ দশমিক ৯)।
অন্যদিকে, সিটি করপোরেশনগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি টিকাদান কাভারেজ অর্জিত হয়েছে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনে (১১৭ দশমিক ৪ শতাংশ) এবং রংপুর সিটি করপোরেশনে এই হার ১০০ দশমিক ৩ শতাংশ।


