কুষ্টিয়ায় মাঠে ফিরল কাবাডির উন্মাদনা

কুষ্টিয়ায় মাঠে ফিরল কাবাডির উন্মাদনা
মাঠের কাবাডি উন্মাদনা। ছবি: টাইমস
Advertisement
Advertisement

একদিকে খেলোয়াড়দের দুরন্ত ছুট, অন্যদিকে গ্যালারিতে দর্শকদের করতালি। কুষ্টিয়া শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়ামে যেন ফিরে এলো গ্রামবাংলার চিরচেনা কাবাডির আমেজ। কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রমের অংশ হিসেবে শুরু হয়েছে প্রথম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি প্রতিযোগিতা-২০২৬।

মঙ্গলবার বিকালে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার আমিনুল ইসলাম। ‘শৃঙ্খলা, নিরাপত্তা, প্রগতি’ স্লোগানে জেলা পুলিশের আয়োজনে ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এ প্রতিযোগিতা চলবে।

উদ্বোধনী ম্যাচ ঘিরে স্টেডিয়ামে ছিল দর্শকদের উপস্থিতি। শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে বিভিন্ন বয়সী মানুষ মাঠে এসে উপভোগ করেন ঐতিহ্যবাহী কাবাডির উত্তেজনাপূর্ণ লড়াই।

জেলা পুলিশ সূত্র জানায়, এবারের প্রতিযোগিতায় জেলার বিভিন্ন থানার আটটি পুরুষ দল ও তিনটি নারী দল অংশ নিচ্ছে। পুরুষ দলগুলোকে দুটি গ্রুপে ভাগ করা হয়েছে। ‘এ’ গ্রুপে রয়েছে কুষ্টিয়া সদর, কুমারখালী, খোকসা ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানা। ‘বি’ গ্রুপে রয়েছে মিরপুর, ভেড়ামারা ও দৌলতপুর থানা দল।

প্রথম দিনে ‘এ’ গ্রুপের দুটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। বুধবার ‘এ’ গ্রুপের পরবর্তী ম্যাচ এবং বৃহস্পতিবার ‘বি’ গ্রুপের ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে। শুক্রবার ফাইনালের মধ্য দিয়ে প্রতিযোগিতার পর্দা নামবে। একই দিনে নারী বিভাগের খেলাও অনুষ্ঠিত হবে।

আরও পড়ুন

ছবি: টাইমস

দর্শনার্থীদের মতে, হারিয়ে যেতে বসা দেশীয় খেলাগুলোকে এমন আয়োজনের মাধ্যমে মাঠে ফিরিয়ে আনলে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ বাড়বে। পাশাপাশি পুলিশ ও সাধারণ মানুষের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও সৌহার্দ্যও বাড়বে।

কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘আইজিপি স্যারের নির্দেশনায় দেশের ৬৪ জেলা ও মেট্রোপলিটন এলাকায় প্রথমবারের মতো কমিউনিটি পুলিশিং কাবাডি প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে কুষ্টিয়ায় এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। এতে আটটি পুরুষ দল ও তিনটি নারী দল অংশ নিচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘২৫ সেপ্টেম্বর ফাইনাল আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে। ফাইনাল খেলায় ডিআইজি স্যারকে প্রধান অতিথি করার বিষয়ে প্রাথমিক সম্মতি পাওয়া গেছে। তিনি উপস্থিত থাকতে পারেন।’

পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, খেলাধুলার প্রসার ঘটানোর পাশাপাশি তরুণদের ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে যুক্ত করা এবং পুলিশ ও জনগণের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও যোগাযোগ জোরদার করাই এ আয়োজনের লক্ষ্য।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad