নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার মরা মেঘনা নদীর লেক এলাকায় ঘুরতে আসা তরুণ-তরুণীকে হেনস্তার ঘটনায় দুই বখাটেকে আটক করা হয়েছে।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, মরা মেঘনা নদীর লেকের পাড়ে ঘুরতে আসা এক তরুণ-তরুণীকে কয়েকজন স্থানীয় বখাটে ঘিরে ধরে উত্ত্যক্ত ও হেনস্তা করছে। তারা জোরপূর্বক তাদের ভিডিও করে এবং পরবর্তীতে তা সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়।
ঘটনার ভিডিওটি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হলে স্থানীয় আবির মাহমুদ বাদশা ও রাজুসহ কয়েকজন বৃহস্পতিবার সকালে দুই বখাটে তৌহিদ (২২) ও নুর আলমকে (২০) ধরে ওই লেকের পাড়ে নিয়ে মারধর করে, কান ধরে উঠবস করায়। পরে নদীতে ৫০ ডুব দেওয়ার শাস্তি দেয়। পরে পুলিশ ওই দুই বখাটেকে আটক করে।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে আবির মাহমুদ বাদশা জানান, ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর বিভিন্ন সমালোচনা দেখে মেজাজ খারাপ হয়ে যায়। যার কারণে বখাটে দুইজনকে ধরে শাস্তি দিয়েছেন।
চরজব্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল হাসান বলেন, যেহেতু এটি একটি ইভটিজিং বা হেনস্তার ঘটনা এবং ধারাটি অসংজ্ঞানযোগ্য, সেহেতু পুলিশ সরাসরি মামলা নিতে পারছে না। তাই আটককৃতদের ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সাজা দেওয়ার জন্য ইউএনওর কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে। কিন্তু ইভটিজিংয়ের ঘটনাটির তাৎক্ষণিক না হওয়ায় ইউএনও ভ্রাম্যমাণ আদালতে এর বিচার করতে রাজি নন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আকিব ওসমান বলেন, ঘুরতে যাওয়া তরুণ-তরুণীকে হেনস্তার ভিডিও তিনি দেখেছেন। ঘটনাটি প্রায় তিন মাস আগের। পুলিশ তাদের আটক করেছে। ঘটনা পুরনো হওয়ায় আটক বখাটেদের ভ্রাম্যমাণ আদালতে বিচার করা সম্ভব নয়। তাই পুলিশ অভিযুক্তদের আটক করে আদালতে পাঠিয়ে দেবে।


