২০ টাকার লোভ দেখিয়ে মাদ্রাসাছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার

২০ টাকার লোভ দেখিয়ে মাদ্রাসাছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার
প্রতীকী ছবি
Advertisement
Advertisement

গোপালগঞ্জে ২০ টাকার লোভ দেখিয়ে সাত বছর বয়সী এক মাদ্রাসাছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গোপালগঞ্জ শহরতলীর বিসিক শিল্প নগরীর মধুমতি বেকারির দোতলায় এ ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত শফিকুল মোল্লা (২০) বাগেরহাট জেলার মোল্লাহাট উপজেলার ভান্ডারখোলা গ্রামের মো. সিদ্দিক মোল্লার ছেলে এবং মধুমতি বেকারির কর্মচারী।

তাকে গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি বলাৎকারের অভিযোগ স্বীকার করেন। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে শনিবার বিকালে আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পরে অভিযুক্তকে গোপালগঞ্জ কারাগারে পাঠানো হয়।

বলাৎকারের শিকার শিশুটি শহরের মৌলভী পাড়া এলাকার বাসিন্দা এবং স্থানীয় এস কে আলিয়া মাদ্রাসার প্রথম শ্রেণীর শিক্ষার্থী। এ ঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে গোপালগঞ্জ সদর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করেছেন।

পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে বিসিক ব্রিজ মোড়সংলগ্ন মধুমতি বেকারির দ্বিতীয় তলায় ২০ টাকার লোভ দেখিয়ে শফিকুল মোল্লা ভুক্তভোগীকে শিশুকে যৌন নির্যাতন করেন। বিষয়টি বুঝতে পেরে স্থানীয়রা তাকে আটক করে পুলিশে খবর দেন।

আরও পড়ুন

পরে পুলিশ গিয়ে ভুক্তভোগী শিশুকে অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য পাঠায় এবং অভিযুক্ত শফিকুলকে আটক করে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সন্ধ্যার পর শিশুটি তার বাসার কাছাকাছি থানাপাড়া এলাকায় নিজের দাদার বাসায় যাচ্ছিল। পথে বিসিক ব্রিজের ওপর থেকে তাকে টাকা ও খাবারের লোভ দেখিয়ে ডেকে নেয় শফিকুল। পরে মধুমতি বেকারির দোতলায় নিয়ে তাকে বলাৎকার করা হয়। এ সময় শিশুটি চিৎকার করতে গেলে শফিকুল তার মুখে বালিশ চাপা দেন।

গোপালগঞ্জ সদর থানার ওসি (তদন্ত) নয়ন চন্দ্র দেবনাথ বলেন, ‘শিশু নির্যাতনের ঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন।

খবর পেয়ে গত শুক্রবার সন্ধ্যার আগে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। অসুস্থ শিশুটিকে উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। আসামি শফিকুল ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছে বলেও নিশ্চিত করেন তিনি।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad