ভূমিমন্ত্রী মো: মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, জলমহাল কোনো ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়, এটি জনগণের। তাই জনস্বার্থ, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং দরিদ্র মানুষের জীবিকা রক্ষার স্বার্থে কর্তৃপক্ষকে মানবিক, ন্যায়ভিত্তিক ও টেকসই ব্যবস্থাপনার দিকে এগোতে হবে।
সরকারি জলমহাল ইজারা প্রদান সংক্রান্ত কমিটির ৯০তম সভা শেষে তিনি একথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী আমরা “জাল যার জলা তার” এই নীতিতে বিশ্বাসী। অতীতে এইসব ইজারা প্রদানের ক্ষেত্রে অনেক অনিয়ম করা হয়েছে।’ তাই অতিদ্রুত স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মতামত নিয়ে প্রস্তাবিত তালিকা মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসককে নির্দেশনা দেন তিনি।
সভায় প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এবং মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এ. এস. এম. সালেহ আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।
জেলা থেকে জলমহাল ইজারা সংক্রান্ত যে সুপারিশগুলো আসছে তা রিভিউ করা দরকার মন্তব্য করে মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেন, ‘যাতে ইনক্লুসিভ ও ফুলপ্রুফ কাজ হয় এবং কেউ প্রশ্ন তুলতে পারে এমন কোন ফাঁক ফোকর রাখা যাবে না।’
সভায় সুনামগঞ্জ জেলার জলমহাল ইজারা সংক্রান্ত প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। এছাড়া চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার বিল চুড়ইল(বদ্ধ) জলমহালটি খনন প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়।


