ন্যাটো ছাড়ার কথা ভাবছেন ট্রাম্প, ‘কাগুজে বাঘ’ দাবি করে সমালোচনা

ন্যাটো ছাড়ার কথা ভাবছেন ট্রাম্প, ‘কাগুজে বাঘ’ দাবি করে সমালোচনা
Advertisement
Advertisement

ন্যাটো জোট থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে বের করে নেওয়ার বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, ‘আমি কখনোই ন্যাটোর প্রতি আস্থা রাখিনি। আমি সবসময় জানতাম এটি কাগুজে বাঘ, আর পুতিনও তা জানে।’

বুধবার যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

ন্যাটো জোটের বিষয়টি তিনি পুনর্বিবেচনা করবেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘হ্যাঁ, আমি বলব এটি পুনর্বিবেচনারও বেশি কিছু। তারা যুক্তরাষ্ট্রের পাশে দাঁড়ায়নি। আমরাও আর ভাবতে চাই না।’

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান যুদ্ধের জেরে যুক্তরাষ্ট্রকে সমর্থন না দেওয়ায় ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরেই ন্যাটো মিত্রদের সমালোচনা করে আসছেন। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালীতে সেনা পাঠাতে অস্বীকৃতি জানানোয় তিনি তাদের ‘ভীরু’ বলে আখ্যা দেন।

তার মতে, এমন পরিস্থিতিতে মিত্রদের সমর্থন ‘স্বয়ংক্রিয়ভাবে’ পাওয়া উচিত। তবে ন্যাটো জোটের মিত্ররা বারবার সমর্থন চাওয়ার পরও যুদ্ধে পক্ষ বেছে নিতে সময় নিচ্ছে। কেউ অবস্থান পরিষ্কার করছে না।

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধকে তিনি রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের সঙ্গেও তুলনা করেন। ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা সব সময় পাশে থেকেছি, ইউক্রেনের ক্ষেত্রেও। ইউক্রেন আমাদের সমস্যা ছিল না, তবুও আমরা তাদের জন্য ছিলাম।’

‘ওটা ন্যাটোর জন্য একটি পরীক্ষা ছিল এবং আমরা তাদের পাশে দাঁড়িয়েছিলাম। কিন্তু তারা আমাদের জন্য কিছু করেনি।’

[live_update time=”দুপুর ৩.০৮” title=”কাতারের তেল ট্যাংকারে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা”]

কাতারের তেল পরিবহন জাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। বুধবার দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থা কাতার এনার্জির মালিকানাধীন তেল ট্যাংকারটিতে এ হামলা হয়।

কাতারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, জাহাজটি কাতারের সমুদ্রসীমায় অবস্থান করছিল। এ সময় তেহরান থেকে ছোড়া তিনটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের মধ্যে দুটি আকাশে ধ্বংস করা হলেও তৃতীয়টি ‘অ্যাকোয়া ওয়ান’ নামের তেল পরিবহন জাহাজে আঘাত করে। তবে হামলায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

যুক্তরাজ্যের সমুদ্র বাণিজ্য সংস্থা-ইউকেএমটিও এবং কাতার এনার্জি জানায়, হামলার সময় জাহাজটি কাতারের রাস লাফান শিল্প এলাকার উত্তরে ১৭ নটিক্যাল মাইল (৩১ কিলোমিটার) দূরে অবস্থান করছিল। এই এলাকা বিশ্বের সবচেয়ে বড় গ্যাস প্ল্যান্টের ঠিক পাশেই অবস্থিত। আঘাতের ফলে জাহাজের ভাসমান অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হলেও কোনো পরিবেশগত ক্ষতি হয়নি।

মূলত মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান সামরিক অভিযানের প্রতিক্রিয়ায় পারস্য উপসাগরের সমুদ্রপথে তেলবাহী জাহাজ চলাচলে ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে গেছে। মার্কিন সামরিক ঘাঁটি থাকা প্রতিবেশী দেশগুলোতে একের পর এক প্রতিশোধমূলক হামলা চালিয়ে যাচ্ছে তেহরান।

মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের কারণে কাতারের তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস রপ্তানি ক্ষমতার প্রায় ১৭ শতাংশ বন্ধ হয়ে গেছে। এর ফলে ইউরোপ ও এশিয়ার গ্যাস সরবরাহের ওপর বড় প্রভাব পড়ছে এবং সরবরাহ সংকটের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যুদ্ধ চলাকালে সমুদ্রপথের নিরাপত্তা ও জাহাজ চলাচলের ঝুঁকি আরও বাড়বে। এর ফলে উপসাগরে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলে বাধা সৃষ্টি হতে পারে এবং বিশ্ব বাজারে তেলের মূল্য বৃদ্ধি পেতে পারে।

[/live_update]

[live_update time=”দুপুর ১.১৬” title=”ইরাকে মার্কিন নারী সাংবাদিক অপহৃত, আইডব্লিউএমএফ-এর উদ্বেগ”]

ইরাকের রাজধানী বাগদাদে এক মার্কিন নারী সাংবাদিককে অপহরণ করা হয়েছে। ওই সাংবাদিকের নাম শেলি কিটেলসন। ইন্টারন্যাশনাল উইমেনস মিডিয়া ফাউন্ডেশনের (আইডব্লিউএমএফ) তথ্যমতে, শেলি একজন ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক এবং তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক। সম্প্রতি তিনি মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির সংবাদ সংগ্রহ করছিলেন।

বার্তা সংস্থা এপির খবরে বলা হয়, মঙ্গলবার বাগদাদের কেন্দ্রীয় এলাকায় সাদুন স্ট্রিটে এই অপহরণের ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীদের প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, রাস্তা থেকে শেলিকে জোরপূর্বক গাড়িতে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা তাৎক্ষনিকভাবে তাকে অপহরণের তথ্য ইরাকি নিরাপত্তাবাহিনীকে জানালে তারা ওই গাড়ির পিছু নেন।

এক পর্যায়ে গাড়িটি উলটে গেলে তার চালককে আটক করে পুলিশ। তবে গাড়িতে শেলির উপস্থিতির কোনো তথ্য মেলেনি। ইরাকি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এরইমধ্যে শেলি এবং অপহরণে জড়িত অন্য ব্যক্তিদের সন্ধানে অভিযান চলছে।

ইরাকি কর্তৃপক্ষের বরাতে জানা গেছে, অপহরণের সময় দুটি গাড়ি ব্যবহার করা হয়েছিল। একটি গাড়ি তাড়া করার সময় দুর্ঘটনায় পড়ে। এরপর সাংবাদিককে দ্বিতীয় গাড়িতে তুলে নিয়ে পালিয়ে যায় অপহরণকারীরা।

আরও পড়ুন

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সন্দেহভাজন একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে অন্যরা এখনো পালিয়ে আছেন। আশপাশের সব চেকপোস্টে সতর্কতা জারি করার ফলে অপহরণকারীরা বেবিল প্রদেশের দিকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন এবং তাদের ধাওয়া করা হয়।

এদিকে এক মার্কিন কর্মকর্তা দাবি করেছেন, অপহরণের সঙ্গে ইরান-সমর্থিত ইরাকি সশস্ত্র গোষ্ঠী কাতাইব হিজবুল্লাহের সংশ্লিষ্টতার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে গোষ্ঠীটির পক্ষ থেকে এখনো কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

শেলি কিটলসনের বর্তমান অবস্থান অজানা থাকায় এবং তাকে অপহরণের স্পষ্ট ভিডিও থাকায় তার নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে আঞ্চলিক সংবাদ সংস্থা আল-মনিটর। সাংবাদিক শেলির নিরাপদ মুক্তির আহ্বান জানিয়ে তারা বলেছে, দীর্ঘদিন ধরে সিরিয়া ও ইরাক থেকে তিনি সংবাদ প্রকাশ করেছেন এবং তার সঙ্গে যা ঘটেছে তা অবশ্যই উদ্বেগের।

ইন্টারন্যাশনাল উইমেনস মিডিয়া ফাউন্ডেশনের সভাপতি এলিসা লিস মুনোজ নারী সাংবাদিকের ওপর নিপীড়ন-নির্যাতনের ঘটনায় নিন্দা ও উদ্বেগ জানিয়ে বলেন, ‘কিটলেসন একজন যোগ্য সাংবাদিক, তিনি শুধুমাত্র তার কাজ করছেন এবং সত্য পরিবেশন করছেন। আমরা তার নিরাপদ ও দ্রুত মুক্তির জন্য আহ্বান জানাচ্ছি।’

মার্কিন সাংবাদিক অপহরণের ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব স্টেটের পক্ষ থেকে বলা হয়, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রশাসনের কাছে সবচেয়ে বড় অগ্রাধিকার হলো মার্কিন নাগরিকদের নিরাপত্তা।

যুক্তরাষ্ট্রের জনসংযোগ সহকারী সচিব ডিলান জনসন সামাজিক মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের বিষয়ে কিটলেসনকে পূর্বেই নিরাপত্তা ঝুঁকি নিয়ে সতর্ক করা হয়েছিল। এমনকি সোমবার রাতে তাকে দ্রুত ইরাক ছাড়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। আমরা এই অপহরণের খবর মনিটর করছি। প্রয়োজনে আমাদের সেনারা হস্তক্ষেপ করতে প্রস্তুত আছে।’

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলার জেরে ইরাকে মার্কিন স্থাপনা লক্ষ্য করে নিয়মিত হামলা চালিয়ে আসছে ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী কাতাইব হিজবুল্লাহ। সে কারণেই শেলিকে অপহরণের পেছনে তাদের দায়ী করছেন মার্কিন কর্মকর্তারা। এর আগেও ইরাকি এই মিলিশিয়া বাহিনী বেশ কয়েকজন বিদেশি নাগরিককে অপহরণ করেন। ২০২৩ সালে প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এলিজাবেথ তসরকভ বাগদাদে অপহৃত হন। পরে তাকে মুক্তি দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে হস্তান্তর করা হয়।

[/live_update]

[live_update time=”সকাল ১১.৪০” title=”যুদ্ধ বন্ধ চাইলেও ইরানের সময়ক্ষেপণ মানতে নারাজ ট্রাম্প”]

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি আলোচনায় বসতে রাজি, তবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘ভুয়া আলোচনার’ মাধ্যমে ইরানের সময়ক্ষেপণ মেনে নেবেন না। ফক্স নিউজে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এমন মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, ট্রাম্প প্রশাসনের এই শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, ‘ইরানের সঙ্গে শান্তি আলোচনা চলছে। চলমান যুদ্ধের সমাপ্তি আমাদের ‘হাতছানি’ দিচ্ছে। এরইমধ্যে ইরানের কর্তৃপক্ষ ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ভবিষ্যতে সরাসরি বৈঠকের সম্ভাবনাও রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র সব সময় আলোচনার জন্য প্রস্তুত।’

‘মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি দ্রুত এগোচ্ছে এবং নির্দিষ্ট সময়সীমা না থাকলেও যুদ্ধের শেষ কোথায়, তা এখন বোঝা যাচ্ছে’ মন্তব্য করে রুবিও বলেন, ‘আমরা প্রকৃত ও গঠনমূলক আলোচনার জন্য রাজি। তবে সময়ক্ষেপণ করতে ইরান যদি ‘ভুয়া আলোচনা’ করতে চায়, তা মেনে নেওয়া হবে না।’

এ সময় ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তা না করায় মিত্র দেশগুলোর প্রতি ক্ষোভ জানান মার্কো রুবিও। তিনি দাবি করেন, বর্তমানে কোনো দেশই যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক লক্ষ্য অর্জনে বাধা দেওয়ার মতো কোনো কাজ করছে না তবে তারা যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তাও করছে না।

ইউরোপের ন্যাটো জোটের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘তারা যুক্তরাষ্ট্রের পাশে দাঁড়ায়নি। কাজেই ইরান যুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্রকে এই জোটের সঙ্গে সম্পর্ক নতুন করে মূল্যায়ন করতে হতে পারে। এই সম্পর্ক একসময় যুক্তরাষ্ট্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হলেও এটি এখন একপাক্ষিক হয়ে উঠেছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।’

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর অভিযোগ, ইউরোপীয় মিত্ররা ইরানের বিরুদ্ধে সরাসরি সামরিক অভিযানে অংশ নেয়নি এবং অনেক ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রকে সামরিক ঘাঁটি বা আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি দিতেও অনাগ্রহ দেখিয়েছে। ফলে ভবিষ্যতে এই জোটের কার্যকারিতা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয়টি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওপরই নির্ভর করবে।

[/live_update]

[live_update time=”সকাল ১০.০৪” title=”বৈরুতে ইসরায়েলি হামলায় নিহত বেড়ে ৭”]

লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ইসরায়েলের হামলায় অন্তত সাতজন নিহত হয়েছেন। বৈরুতে চালানো একাধিক হামলায় আহত হয়েছেন অন্তত ২৪ জন।

দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাতে লেবাননের জাতীয় বার্তা সংস্থা জানিয়েছে, স্থানীয় সময় মঙ্গলবার বৈরুতে দুটি আলাদা হামলা চালানো হয়। এর মধ্যে একটি হামলা চালানো হয় খালদে এলাকার একটি গাড়ি লক্ষ্য করে। অন্য হামলাটি হয় জানাহ এলাকায়, সেখানে একাধিক যানবাহনকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়।

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান যুদ্ধের জেরে লেবাননের সঙ্গে ফের যুদ্ধে জড়িয়েছে ইসরায়েল। দেশটির ইরানপন্থী সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে চলমান সংঘাতে পরিস্থিতি ক্রমেই ভয়াবহ হয়ে উঠছে।

গত ২ মার্চ থেকে শুরু হওয়া হামলায় এখন পর্যন্ত এক হাজার ২০০-র বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।

এ ছাড়া জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত হয়েছেন প্রায় ১২ লাখ মানুষ। ফিলিস্তিনের গাজার মতোই দেশটিতে মানবিক সংকট ক্রমশ গুরুতর আকার ধারণ করছে বলে উদ্বেগ জানিয়েছে মানবাধিকার সংস্থাগুলো।

[/live_update]

[live_update time=”সকাল ৯.৪২” title=”যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কার্যক্রম শেষ হলেই জ্বালানির দাম কমবে: ট্রাম্প”]

দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যেই ইরানে সামরিক কার্যক্রম শেষ হতে পারে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন,’খুব শিগগিরই যুক্তরাষ্ট্র ইরান থেকে সরে আসবে।’

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথোপকথনে তিনি দাবি করেন, গত মাসের শেষ দিকে ইসরায়েলের সঙ্গে সমন্বয় করে যে উদ্দেশ্যে ইরানে বিমান হামলা শুরু হয়েছিল, এরইমধ্যে মার্কিন সেনারা তা অর্জন করেছে।

ট্রাম্পের ভাষায়, ‘ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সক্ষমতা কমিয়ে আনার প্রধান লক্ষ্য পূরণ হয়েছে এবং এখন যুক্তরাষ্ট্র কেবল অভিযানের “শেষ ধাপগুলো” সম্পন্ন করছে।’

বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের আকাশসীমার ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে দাবি করে তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনা অনুযায়ী দেশটিতে নেতৃত্ব পরিবর্তন ঘটেছে।’ তার মতে, নতুন নেতৃত্ব আগের তুলনায় ‘কম উগ্র’ এবং ‘বেশি যুক্তিসঙ্গত’।

ইরানের নেতারা যুদ্ধ শেষ করতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি করতে মুখিয়ে আছে বলেও দাবি করেন ট্রাম্প। তবে এর আগে বারবার ইরানের পক্ষ থেকে এমন দাবি অস্বীকার করা হয়েছে।

সাংবাদিকরা সে দিকে ইঙ্গিত করলে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা চাইলে কোনো চুক্তি ছাড়াই এই যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটতে পারে। পুরোটাই নির্ভর করছে পরিস্থিতি এবং ইরানের নেতাদের দৃষ্টিভঙ্গির ওপর।’

এদিকে ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের কারণে বিশ্ব বাজারে জ্বালানির দামের ঊর্ধ্বগতির বিষয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কার্যক্রম শেষ হলেই জ্বালানির দাম কমে আসবে। এটি নিয়ে চিন্তার কিছু নেই। বিশ্ব দেখুক তারা যুক্তরাষ্ট্রের কতটা নির্ভরশীল।’

সূত্র: বিবিসি

[/live_update]

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad