তিন ইনিংস আগে পুরো ২০ ওভার উইকেটে থেকেও সেঞ্চুরি পাননি রংপুর রাইডার্সের তাওহিদ হৃদয়। গত ১১ জানুয়ারি সিলেটে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে অপরাজিত ছিলেন ৯৭ রানে। তবে রোববার সেই আক্ষেপ হৃদয় ঘুচিয়েছেন দারুণ এক সেঞ্চুরিতে। মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে নোয়াখালী এক্সপ্রেসের বিপক্ষে বিপিএলে নিজের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি ছুঁয়েছেন ৫৭ বলে। রান তাড়ায় নেমে তার ৬৩ বলে ১০৯ রানের ইনিংসে নোয়াখালীর বিপক্ষে ৮ উইকেটে ম্যাচ জিতে আনুষ্ঠানিকভাবে প্লে অফ চূড়ান্ত করল রংপুর। ৬ জয় নিয়ে উঠেছে পয়েন্ট টেবিলের তৃতীয় স্থানে।
এমনিতে টপ অর্ডার ব্যাটার হলেও চলতি বিপিএলে শেষ পাঁচ ইনিংসে হৃদয় খেলছেন মেইকশিফট ওপেনার হিসেবে। রংপুরের এই স্ট্র্যাটেজি কাজেও এসেছে দারুণভাবে। ১০ ইনিংসে ব্যাট করে ৩৭৮ রান করে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ স্কোরার এই ডানহাতি ব্যাটার। এর মধ্যে একটি করে সেঞ্চুরি ও ফিফটিতে ২০৭-ই এসেছে ওপেন করে। নতুন এই রোলে বেশ মানিয়েও নিয়েছেন হৃদয়। ওপেনার হিসেবে তার শেষ চার ইনিংস ১০৯, ৬৭, ৪ ও ৯৭*।
তিন ইনিংস আগের তিন রানের দুঃখ হৃদয় মিটিয়েছেন বেশ ভালোভাবেই। হাসান ইসাখিলের ৭২ বলে ১০৭ রানের ইনিংসে ভর করে নোয়াখালী করে ২ উইকেটে ১৭৩ রান। এই লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ডাভিড মালানকে সাথে নিয়ে শুরু থেকেই চালিয়ে খেলতে থাকেন হৃদয়। আগের ম্যাচে ১২৬ রানের ওপেনিং জুটি হলেও এই ম্যাচে দুজন তোলেন ৭৮। মালান ফিরলেও অবশ্য রানের গতি থামাননি হৃদয়।
২৭ বলে ফিফটি ছোঁয়ার পর ৫৭ বলে করেছেন সেঞ্চুরি। হাসান মাহমুদের বলে বোল্ড হওয়ার আগে ১৫ চার ও ২ ছক্কায় করেছেন ১০৯। আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে নতুন পজিশনে হৃদয়ের এমন পারফরম্যান্স নিঃসন্দেহে স্বস্তি দেবে বাংলাদেশ জাতীয় দলকে। যদিও নিরাপত্তা শংকায় ভারতে বিশ্বকাপ না খেলার সিদ্ধান্তে বিসিবি অটল থাকায় ঝুলেই আছে বাংলাদেশের ভবিষ্যত।


