ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির হত্যা, প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার অফিসে আগুন এবং ছায়ানটে হামলার সঙ্গে সরকারের ভেতরের একটি অংশের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে বলে দাবি করেছেন সাবেক ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম।
তিনি বলেন, হামলার ঘটনায় ওসমান হাদির মৃত্যুকেই ব্যবহার করা হয়েছে। এমনকি জুলাই অভ্যুত্থানের সময় দেওয়া স্লোগান ব্যবহার করে ভাঙচুর চালানো হয়েছে। এসব ঘটনা সম্পূর্ণ পূর্বপরিকল্পিত ছিল।
সোমবার ঢাকার একটি হোটেলে সম্পাদক পরিষদ ও সংবাদপত্রের মালিকদের সংগঠন নোয়াবের আয়োজনে যৌথ প্রতিবাদ সভায় এ মন্তব্য করেন নাহিদ ইসলাম।
‘মব ভায়োলেন্সে আক্রান্ত বাংলাদেশ’ শীর্ষক সভায় তিনি বলেন, ‘সংশ্লিষ্ট চক্রটি আগে থেকেই পরিকল্পনা করে যে হাদিকে হত্যা করা হবে। এরপর তারা এসব হামলা, ভাঙচুর ও আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটাবে। এটা সম্পূর্ণ পরিকল্পিত অপরাধ। এটা মূলত পুরো দেশের রাজনীতি ও নির্বাচনকে একদিকে নিয়ে যাওয়ার জন্য ঘটানো হয়েছে।’
সবাইকে সচেতন হয়ে মবোক্রেসির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের আহ্বান জানিয়ে নাহিদ বলেন, ‘একই সঙ্গে এসব হামলার ঘটনায় যারা সম্পৃক্ত তাদের চিহ্নিত করে শাস্তির আওতায় আনতে হবে। তাদের বিচার ব্যবস্থার আওতায় আনতে সরকারকে বাধ্য করতে হবে।’
তিনি বলেন, ওসমান হাদিকে যারা হত্যা করেছে তাদের অতি দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে। একই সঙ্গে যারা ২৪ এর জুলাইকে সামনে রেখে এসব হামলার ঘটনা ঘটাচ্ছেন তাদের শাস্তির আওতায় এনে সঠিক বিচার করতে হবে। কারণ জুলাই অভ্যুত্থানকে সামনে রেখে করা অপরাধ জনগণ বরদাস্ত করবে না।
সাবেক এই উপদেষ্টা বলেন, ‘জুলাইয়ে পরে দেশে যেমন পরিবেশের প্রত্যাশা করা হয়েছিল তা আমরা পাইনি। বরং হত্যা, হামলা, ভাঙচুর ও আগুনের ঘটনা বেড়েছে। দীর্ঘ ১৬ বছর সৈরাচার শাসনের পর আমরা এমন পরিস্থিতি চাইনি।’


