ওসমান হাদির ওপর হওয়া হামলা কোনো ব্যক্তির ওপর নয়, বরং এটি গণতন্ত্রের ওপর আঘাত বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। তিনি এ ঘটনাকে ‘পূর্বপরিকল্পিত রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে দোষীদের দ্রুত শনাক্ত ও শাস্তির দাবি জানান।
শনিবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মিছিলের আগে অনুষ্ঠিত সমাবেশে এ কথা বলেন মির্জা আব্বাস।
তিনি বলেন, ‘হাদি আমার সন্তানের মতো। সে এখনো ৩৫ বছর পূর্ণ করেনি। তার ওপর আঘাত আমাকে মানসিকভাবে গভীর ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।’ ঘটনার পর হাদিকে দেকতে হাসপাতালে যাওয়ার কথা উল্লেখ করে মির্জা আব্বাস অভিযোগ করেন, হাসপাতাল এলাকায় একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের অঙ্গসংগঠনের কর্মীরা উস্কানিমূলক স্লোগান দিয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করার চেষ্টা করেছে।
বিএনপির এই নেতার দাবি, ‘হাসপাতালে উপস্থিত ১০০ থেকে ১৫০ জন যুবক হাদির সমর্থক ছিল না। তারা পরিকল্পিতভাবে মোটরসাইকেল নিয়ে এসে আতঙ্ক তৈরির চেষ্টা করেন। তবে, হাসপাতালে উপস্থিত বিএনপির নেতাকর্মীরা সংযম ও ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছেন, যাতে চিকিৎসা ব্যাহত না হয়।’
নির্বাচনী রাজনীতির প্রসঙ্গ টেনে মির্জা আব্বাস জানান, অতীতে বহু প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনে অংশ নিয়েও প্রার্থীদের মধ্যে সহিংসতার নজির ছিল না। প্রার্থীদের মধ্যে মারামারির কোনো রেকর্ড বিএনপির নেই।


