দেশের বাইরে পলাতক শরিফ ওসমান হাদির খুনিদের খুঁজে আনা হবে বলে আশ্বস্ত করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের নৌপরিবহন উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন।
তিনি জানান, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র হাদির খুনিরা যদি দেশের বাইরেও পালিয়ে থাকেন তাহলে তাদের খুঁজে বের করে আনা হবে। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের পেছনে যারা জড়িত তাদের মুখোশ উন্মোচিত করা হবে। চলতি মাসের মাঝামাঝিতেই পুরো বিষয়টি সবার সামনে তুলে ধরা হবে।
শুক্রবার বিকালে ঝালকাঠির নলছিটি লঞ্চঘাটের নাম পরিবর্তন করে ‘শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি লঞ্চঘাট’ নামকরণের ফলক উন্মোচন শেষে এসব কথা বলেন তিনি।
উপদেষ্টা বলেন, ‘হাদির নাম এখন আর বাংলাদেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। তার নাম বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে। এই পৃথিবী যতদিন থাকবে, বিপ্লবীদের নাম যতদিন রয়ে যাবে। আর ততদিনই হাদিকে মানুষজন মনে রাখবে।’
হাদি নলছিটির সন্তান, তাই জন্মস্থানের লঞ্চঘাটটির নাম তার নামেই করা হয়েছে বলে জানান নৌপরিবহন উপদেষ্টা।
লঞ্চঘাটের নাম পরিবর্তনের সময় আরও উপস্থিত ছিলেন- হাদির বোন মাছুমা হাদি, বোনের জামাই আমির হোসেন, জুলাই আন্দোলনে শহীদ নলছিটির সন্তান সেলিমের বাবা সুলতান হোসেন, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব রফিকুল করিম, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) পরিচালক (বরিশাল) আমজাদ হোসেন প্রমুখ।
এদিকে, নৌ উপদেষ্টার সামনেই হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ করেন তার সহকর্মী, প্রতিবেশী ও স্থানীয় যুবকরা। এ সময় তাদের বিচারের আশ্বাস দেন এম সাখাওয়াত হোসেন।
হাদির বোন সাংবাদিকদের বলেন, ‘হাদির মাথায় গুলি করা হয়েছে মানে সমগ্র বাংলাদেশ, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের ওপর গুলি চালানো হয়। আমি এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সকলের বিচার চাই। যারা হত্যার পেছনে ছিল তাদেরও জনসম্মুখে বিচার করতে হবে।’


