সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন হাঙ্গেরির ঔপন্যাসিক লাসলো ক্রাসনাহোরকাই।
বৃহস্পতিবার সাহিত্যে নোবেল বিজয়ী হিসেবে তার নাম ঘোষণা করে রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি। তার সম্পর্কে একাডেমি বলেছে, ‘তার মনোমুগ্ধকর এবং দূরদর্শী শিল্পকর্মের জন্য, যা মহাবিশ্বের আতঙ্কের মধ্যেও শিল্পের শক্তিকে আবার প্রকাশিত করে।’
১৯৫৪ সালে রোমানিয়ার সীমান্তের কাছে দক্ষিণ-পূর্ব হাঙ্গেরির ছোট শহর জিউলাতে জন্ম লাসলো ক্রাসনাহোরকাইয়ের। তার প্রথম উপন্যাস ‘সাটানটাঙ্গো’। তার লেখা উপন্যাস ‘হাবারু এস হাবারু’ তাকে বিশ্বের কাছে পরিচিত করায়।
২০১৪ সালে সাহিত্যকর্মের জন্য ম্যান বুকার পুরস্কারে ভূষিত হন লাসলো। এই পুরস্কার বিশ্বসাহিত্যে তার অবস্থান আরও সুদৃঢ় করে।
নোবেল পুরস্কারজয়ী এই সাহিত্যিক পাবেন একটি মেডেল, একটি সনদপত্র এবং মোট ১১ মিলিয়ন বা ১ কোটি ১০ লাখ সুইডিশ ক্রোনা। বর্তমান বাজার মূল্যে এর মান প্রায় ১২ লাখ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৪ কোটি ৬১ লাখ টাকার সমান।
গত বছর এ সম্মাননা পেয়েছিলেন দক্ষিণ কোরিয়ার লেখক, কবি হান কাং।
প্রতিবছর পদার্থবিজ্ঞানে এবং রসায়নে নোবেল পুরস্কারের ঘোষণা দেয় রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্স, আর চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল ঘোষণা করে সুইডেনের স্টকহোমের ক্যারোলিনস্কা ইনস্টিটিউট।
বৃহস্পতিবার সাহিত্যে নোবেল ঘোষণার পর শুক্রবার শান্তিতে পুরস্কার বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হবে।
সুইডিশ বিজ্ঞানী ও ডিনামাইটের উদ্ভাবক আলফ্রেড নোবেলের মৃত্যুর ৫ বছর পর ১৯০১ সাল থেকে প্রতিবছর এই পুরস্কার প্রদান করে রয়্যাল সুইডিশ অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সেস। তার নামে ও রেখে যাওয়া অর্থে এই পুরস্কার দেওয়া হয়। প্রতি বছর আলফ্রেড নোবেলের মৃত্যুদিবস ডিসেম্বরের ১০ তারিখ বিজয়ীদের হাতে পুরস্কারের অর্থ তুলে দেওয়া হয়।


