স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটায় স্ত্রীর ৭ বছরের কারাদণ্ড

স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটায় স্ত্রীর ৭ বছরের কারাদণ্ড
প্রতীকী ছবি
Advertisement
Advertisement

ঘুমন্ত স্বামীর পুরুষাঙ্গ কেটে দেওয়ার মামলায় মোসাম্মৎ রুমা আক্তারকে সাত বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। দুই ধারায় দেওয়া এ সাজা একই সঙ্গে কার্যকর হবে। ফলে তাকে সর্বোচ্চ চারবছর কারাভোগ করতে হবে।

ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসাইন এ রায় দেন। বাদীপক্ষের আইনজীবী আতাউর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

রুমাকে এক ধারায় তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে আরও এক মাসের কারাদণ্ড হবে। গুরুতর আঘাতের অপরাধে আরেক ধারায় চার বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এ জরিমানাও অনাদায়ে আরও এক মাসের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জুনে সিয়ামের সঙ্গে রুমার বিয়ে হয়। তারা ঢাকার বংশালের কসাইটুলী এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন। বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ চলছিল।

ঘটনার দিন রাত সাড়ে ১২টার দিকে বাইরে থেকে খাবার খেয়ে বাসায় ফেরেন সিয়াম। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যায়।

আরও পড়ুন

এজাহারে বলা হয়েছে, ১৮ ফেব্রুয়ারি ভোর সাড়ে ৪টার দিকে সিয়াম ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় কাপড় কাটার কাঁচি দিয়ে তার পুরুষাঙ্গে আঘাত করেন রুমা। এতে তার পুরুষাঙ্গ কেটে যায়। ধস্তাধস্তির সময় সিয়ামের বাঁ হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলও জখম হয়।

ঘটনার পর সিয়ামের বাবা বংশাল থানায় মামলা করেন। তদন্ত শেষে ২০২৫ সালের ৫ মে রুমাকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দেন থানার এসআই ফেরদৌস আলম।

মামলায় ১০ নভেম্বর রুমার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। বিচার চলাকালে রাষ্ট্রপক্ষের ১১ সাক্ষীর মধ্যে সাতজন আদালতে সাক্ষ্য দেন। রুমাও আত্মপক্ষ সমর্থনে বক্তব্য দেন।

রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে আদালত রুমাকে দোষী সাব্যস্ত করে দুই ধারায় সাত বছরের কারাদণ্ড দেন। একই সঙ্গে তাকে অর্থদণ্ডও করা হয়। তবে সাজা একই সঙ্গে কার্যকর হওয়ায় কার্যকর কারাদণ্ডের মেয়াদ হবে সর্বোচ্চ চার বছর।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর