যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ামি স্টেডিয়ামে গ্রুপ ‘সি’-এর নিজেদের শেষ ম্যাচে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ৩-০ গোলে এগিয়ে আছে ব্রাজিল। ম্যাচের প্রথমার্ধ শেষেই ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের চোখধাঁধানো জোড়া গোলে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় সেলেসাওরা। দ্বিতীয়ার্ধের ৬০ মিনিটে কুনহা করেছেন তৃতীয় গোল। খেলার ৭৬ মিনিটে বদলি হিসেবে মাঠে নেমেছেন নেইমার।
প্রথমার্ধে আক্রমণ আর বল দখলের আধিপত্যে স্কটিশ রক্ষণভাগকে পুরো ৪৫ মিনিট ব্যস্ত রাখে কার্লো আনচেলত্তির শিষ্যরা। ম্যাচ শুরুর বাঁশি বাজার পর থেকেই চিরচেনা চেনা ছন্দে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে শুরু করে ব্রাজিল। তার ফল পেতেও বেশি সময় লাগেনি। ম্যাচের ৭ম মিনিটে মাঝমাঠ থেকে লুকাস পাকেতার বাড়িয়ে দেওয়া এক দুর্দান্ত রক্ষণভেদী পাস নিয়ন্ত্রণে নেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। নিজের গতিকে কাজে লাগিয়ে স্কটিশ রক্ষণভাগকে পরাস্ত করে অত্যন্ত ঠান্ডা মাথায় বল জালে জড়ান এই রিয়াল মাদ্রিদ উইঙ্গার। ১-০ গোলে এগিয়ে গিয়ে শুরুতেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় ব্রাজিল।
ম্যাচের ২৪ মিনিটে আরও একবার স্কটল্যান্ডের জালে বল পাঠিয়েছিল ব্রাজিল। তবে স্কটিশ ডিফেন্ডার জ্যাক হেনড্রির ওপর ভিনিসিয়ুসের করা ফাউলের কারণে ভিএআর পর্যালোচনার পর গোলটি বাতিল করেন রেফারি। এই যাত্রায় বেঁচে গিয়ে কিছুটা স্বস্তি পায় স্কটল্যান্ড। প্রথমার্ধের বাকি সময়ে স্কটিশ অধিনায়ক অ্যান্ডি রবার্টসন ও স্কট ম্যাকটমিনে মাঝমাঠ সামলে ওঠার চেষ্টা করলেও ব্রাজিলের গোলরক্ষক অ্যালিসন বেকারকে তেমন কোনো কঠিন পরীক্ষায় ফেলতে পারেননি।
১-০ ব্যবধানে প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার যখন একদম শেষ মুহূর্ত, তখনই স্কটল্যান্ডের ওপর দ্বিতীয় আঘাতটি হানেন ভিনিসিয়ুস। প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ের ৩য় মিনিটে নিখুঁত ফিনিশিংয়ে নিজের এবং দলের দ্বিতীয় গোল করেন তিনি। ফলে ২-০ গোলের নিরাপদ ব্যবধান নিয়ে বিরতিতে যায় সেলেসাওরা।


