গুম-খুনসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগের মামলায় সেনা কর্মকর্তাদের বিষয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শুনানি দিন রোববার।
এই মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া সেনা কর্মকর্তাদের সকালের যেকোনো সময় ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হবে বলে জানা গেছে। এরই মধ্যে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এলাকার নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। মোতায়েন করা হয়েছে বিপুল সংখ্যক র্যাব, পুলিশ এবং বিজিবি সদস্য।
বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। ট্রাইব্যুনালের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
র্যাবের টাস্কফোর্স ইন্টারোগেশনের (টিএফআই) গোপন সেলে বন্দি রেখে নির্যাতনের অভিযোগে শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনকে আসামি করে এই মামলা হয়। এ ছাড়া জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেল (জেআইসি) বা আয়নাঘরে রেখে গুমের অভিযোগে আরেক মামলায় শেখ হাসিনাসহ ১৩ জনকে আসামি করা হয়।
আসামিদের মধ্যে আরও আছেন ডিজিএফআইয়ের সাবেক পাঁচ মহাপরিচালক। এরা হলেন অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. আকবর হোসেন, অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল মো. সাইফুল আবেদিন, অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. সাইফুল আলম, অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ তাবরেজ শামস চৌধুরী ও অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল হামিদুল হক।
গত ২২ অক্টোবর ট্রাইব্যুনালের আদেশে ১৫ সেনা কর্মকর্তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
ওইদিন সকাল ৭টার পরে বাংলাদেশ জেল প্রিজনভ্যানের গাড়িতে সেনা কর্মকর্তাদের ট্রাইব্যুনালে আনা হয়। তারা সবাই সাধারণ পোশাকে ছিলেন। সেদিন সাবেক এবং বর্তমান সেনা কর্মকর্তাদের বিষয়ে পরবর্তী শুনানির জন্য ২০ নভেম্বর দিন ধার্য হয়।
২৬ অক্টোবর প্রসিকিউশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মামলার শুনানির দিন পিছিয়ে ২৩ নভেম্বর তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছিল।
এর আগে ১২ অক্টোবর ঢাকা সেনানিবাসের একটি ভবনকে সাময়িকভাবে কারাগার ঘোষণা করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। ট্রাইব্যুনালের আদেশের পর থেকে তারা সেখানেই রয়েছেন।


