মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, তামাক কোম্পানি তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনে সংশোধনের স্টেকহোল্ডার হতে পারবে না এবং সরকার জনস্বার্থ বিরোধী কাজে কখনোই জড়িত হবে না।
তিনি বলেন, ‘দেশের মানুষের সুস্থতা নিশ্চিত করতে তামাক বন্ধ করতে হবে।‘
বুধবার সিরডাপ মিলনায়তনে ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন অব দ্য রুরাল পুওর আয়োজিত একটি আলোচনা সভায় তিনি এই মন্তব্য করেন।
সভায় উপদেষ্টা তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের খসড়া সংশোধনে ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ তুলে ধরেন, যার মধ্যে পাবলিক প্লেসে ধূমপানমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা, তামাক পণ্যের প্রদর্শন নিষিদ্ধ করা, এবং ই-সিগারেটের বিরুদ্ধে কঠোর আইন প্রণয়নের প্রস্তাব দেওয়া হয়।
তিনি আরও বলেন, ‘তামাক কোম্পানির অপকৌশল এবং দেরিতে আইন সংশোধন হওয়ার জন্য দীর্ঘদিন বিলম্ব হয়েছে, তবে তারা কখনোই সফল হবে না।‘
তিনি তরুণদের তামাকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানান এবং আইনের বাস্তবায়নে তরুণদের সক্রিয় ভূমিকা আশা করেন।
সভায় ডব্লিউএইচও ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন টোবাকো কন্ট্রোল (এফসিটিসি)-এর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সংশোধনীগুলোর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবগুলো উপস্থাপন করা হয়।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সাবেক সচিব মুন্সী আলাউদ্দীন আল আজাদ, মো. আখতারউজ-জামান, গোলাম মহিউদ্দিন ফারুক, আয়েশা আকতার শিল্পী এবং নায়েমুর রহমান ইমন।


