আ.লীগ সমর্থকদের বেশিরভাগ ভোট বিএনপিতে: সিআরএফ জরিপ

আ.লীগ সমর্থকদের বেশিরভাগ ভোট বিএনপিতে: সিআরএফ জরিপ
সিআরএফ-এর সংবাদ সম্মেলন। ছবি: টাইমস
Advertisement
Advertisement

আসন্ন সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থক ভোটারদের ৪৮ শতাংশ বিএনপিকে ভোট দিতে পারেন। বাকি ৫২ শতাংশ আওয়ামী লীগ সমর্থক কাকে ভোট দেবেন তা এখনও ঠিক করেননি।

কমিউনিকেশন অ্যান্ড রিসার্চ ফাউন্ডেশন (সিআরএফ) পরিচালিত পরিচালিত এক জরিপে এই চিত্র ওঠে এসেছে। বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক প্রেস ব্রিফিং-এ সিআরএফ কর্মকর্তারা জরিপের ফলাফল তুলে ধরেন।

জরিপের ফলাফলে জানানো হয়, ২০০৮ সালের পর থেকে এ পর্যন্ত যারা প্রথমবারের মতো ভোটার হয়েছেন, তাদের ৩৭ দশমিক ৪ শতাংশ জামায়াতে ইসলামীকে পছন্দ করেন।

জরিপে অংশ নেওয়া প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ মানুষ জানিয়েছেন, ভোট দেওয়ার সময় তারা প্রার্থীর ব্যক্তিগত যোগ্যতাকে বড় করে দেখেন। এর মধ্যে ৩০ দশমিক ৩ শতাংশ ভোটার শুধু প্রার্থীর ওপর নির্ভর করেন। অন্যদিকে, ৩৩ দশমিক ২ শতাংশ ভোটার জানিয়েছেন, তারা প্রার্থী এবং রাজনৈতিক দল—উভয় দিক বিবেচনা করেই সিদ্ধান্ত নেবেন।

আরও পড়ুন

সিআরএফ-এর তথ্যমতে, আগামী নির্বাচনে ভোটারদের উপস্থিতির হার অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যেতে পারে। ধারণা করা হচ্ছে, ১৯৯১ সালের নির্বাচনের ৮৪ শতাংশ উপস্থিতির রেকর্ড ভেঙে এবার আরও বেশি মানুষ ভোটকেন্দ্রে যাবেন। ইতোমধ্যে ৯০ শতাংশের বেশি মানুষ ভোট দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। মাত্র ৮ শতাংশ মানুষ এখনো দোটানায় আছেন। নারী-পুরুষ, যুবক-বৃদ্ধ কিংবা শিক্ষিত-অশিক্ষিত নির্বিশেষে সব ধরনের মানুষের মধ্যেই ভোট দেওয়ার আগ্রহ সমানভাবে দেখা গেছে।

তবে উৎসবের আমেজের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মনে ভয়ও কাজ করছে। জরিপে অংশ নেওয়া ২০ শতাংশ মানুষ নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হওয়া নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছেন। বিশেষ করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ব্যালট বাক্স দখল হওয়ার ভয় এবং নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়ে তাদের মনে সংশয় রয়েছে।

নির্বাচনী ব্যবস্থার চেয়েও দেশের মানুষ এখন সুশাসনকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। জরিপে দেখা গেছে, ৬৩ দশমিক ৭ শতাংশ ভোটার মনে করেন এই মুহূর্তে সবচেয়ে জরুরি বিষয় হলো সুশাসন নিশ্চিত করা। অন্যদিকে, ৩৫ দশমিক ৯ শতাংশ ভোটার একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনকে বড় সমস্যা হিসেবে দেখছেন। অর্থাৎ, বাংলাদেশের মানুষের কাছে এখন ভোট দেওয়ার প্রক্রিয়ার চেয়েও রাষ্ট্র পরিচালনার স্বচ্ছতা বা সুশাসন পাওয়ার দাবিটি অনেক বেশি জোরালো হয়ে উঠেছে।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
টাইমস রিপোর্ট
টাইমস রিপোর্ট

Staff Reporter, Times of Bangladesh

সম্পর্কিত খবর