সিরাজগঞ্জে জামায়াত প্রার্থীর গাড়িবহরে হামলা, আহত ১৫

সিরাজগঞ্জে জামায়াত প্রার্থীর গাড়িবহরে হামলা, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে গাড়ীবহরে হামলায় আহত জামায়াত প্রার্থীরা চিকিৎসা নিচ্ছেন। ছবি: টাইমস
Advertisement
Advertisement

সিরাজগঞ্জের কাজীপুরে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে সিরাজগঞ্জ–১ আসনে জামায়াতের প্রার্থী মাওলানা শাহীনুর আলমের গাড়ি বহরে হামলার অভিযোগ উঠেছে । হামলায় নিজেদের ১৫ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে জামায়াত। এ ছাড়া ভাঙচুর করা হয়েছে বেশ কয়েকটি মোটরসাইকেল।

কাজীপুর উপজেলার সোনামুখী এলাকায় সোমবার রাতে হামলার ঘটনাটি ঘটে। হামলায় আহতদের মধ্যে পিপুলবাড়িয়া আঞ্চলিক শাখা জামায়াতের সভাপতি আ. আওয়াল, ছোনগাছা ইউনিয়ন জামায়াতের আমির নজরুল ইসলাম ও সদর উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সহকারি সেক্রেটারি নুর আলমকে সিরাজগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বগুড়ার ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে কাজিপুর উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যাপক আরমান হোসেনসহ অন্যদের।

জেলা জামায়াতের আমির ও সিরাজগঞ্জ–১ আসনের প্রার্থী মাওলানা শাহীনুর আলম জানান, রাতে কাজিপুর উপজেলার সোনামুখি ইউনিয়নের স্থলবাড়ি গ্রামে একটি ইসলামি জলসায় তাকে বক্তব্য দিতে বাধা দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন

এ সময় তার কর্মীদের মারধর করা হয়। পরে জলসা শেষে ফেরার পথে সোনামুখি এলাকায় পৌঁছালে তার বহরে অতর্কিত হামলা চালায় বিএনপি নেতাকর্মীরা। এতে জামায়াতের কাজিপুর উপজেলা সেক্রেটারিসহ অন্তত ১৫ জন আহত হয়।

ইসলামি জালসায় ঐ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সেলিম রেজাও উপস্থিত ছিলেন। তার উপস্থিতি ও ইন্ধনেই হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেন এই জামায়াত নেতা।

এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জ–১ আসনে বিএনপি প্রার্থী সেলিম রেজা বলেন, ‘জামায়াতের অভিযোগ সত্য না।  বিএনপির নেতাকর্মীদের উপর দোষ চাপাতে তারা এসব করছে। আমাদের বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে জামায়াত নেতাকর্মীদের কোনো হামলার ঘটনা ঘটেনি। রাতে ওয়াজ মাহফিল থেকে আমরা যে যার বাসায় ফিরে যায়। পথের মধ্যে জামায়াতের নেতাকর্মীর উপর নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ অথবা তারা নিজেরাই এমন কর্মকাণ্ড ঘটিয়ে বিএনপির সম্মান ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছে। নির্বাচনকে সামনে রেখে নোংরা রাজনীতির উদ্দেশে এরকম মিথ্যা প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে।’

কাজীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এনায়েতুর রহমান বলেন, ‘মাহফিলে জামায়াত প্রার্থী এবং বিএনপির দলীয় প্রার্থী দু’জনই উপস্থিত ছিলেন। পরে স্লোগান দেওয়াকে কেন্দ্র করে কর্মীদের মধ্যে একটু ধাক্কাধাক্কি হয়। পরে ওয়াজ মাহফিল থেকে টেলিফোন করা হলে আমাদের পুলিশ তাৎক্ষণিক সেখানে পৌঁছে যায়। এখন পর্যন্ত সেখানে টহল অব্যাহত আছে। বিষয়টি নিয়ে এখনও কোনো অভিযোগ কেউ করেনি। কেউ অভিযোগ দিলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad