ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. সাব্বির ফয়েজ সাবেক সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূরের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে চারটি ফ্ল্যাট ও ১০ কাঠা জমি জব্দের আদেশ দিয়েছেন। একইসঙ্গে তার নামে থাকা ১৬টি ব্যাংক হিসাবও অবরুদ্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এদিন রাতে দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
২০২৪ সালের ৩০ জুলাই দুদক আসাদুজ্জামান নূরের বিরুদ্ধে পাঁচ কোটি ৩৭ লাখ টাকা অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং ১৫৮ কোটি ৭৮ লাখ টাকা মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে মামলা করে।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, আসাদুজ্জামান নূর ক্ষমতার অপব্যবহার করে ৫ কোটি ৩৭ লাখ ১ হাজার ১৯০ টাকা জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন এবং তা নিজের দখলে রেখেছেন।
এ ছাড়া, আসাদুজ্জামান নূরের নামে বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ১৯টি হিসাব থেকে ১৫৮ কোটি ৭৮ লাখ ৪৭ হাজার ৮৯৮ টাকার সন্দেহজনক লেনদেন হয়েছে। এসব লেনদেনের মাধ্যমে অর্থ স্থানান্তর, রূপান্তর ও হস্তান্তরের অভিযোগ উঠেছে, যা মানি-লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ও দুদক আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
দুদক জানায়, আসাদুজ্জামান নূরের ব্যাংক হিসাবগুলোতে ৮৫ কোটি ৭২ লাখ ৬৬ হাজার ৫৯৩ টাকা জমা এবং ৭৩ কোটি ৫ লাখ ৮১ হাজার ৩০৫ টাকা উত্তোলন হয়েছে, যেগুলোর উৎস অস্পষ্ট।
২০২৪ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর রাতে রাজধানীর বেইলি রোডে তার বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারে আটক রয়েছেন।


