দলীয় পরিচয় দিয়ে হাসপাতালে বা কোনো সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পে চাঁদাবাজি করলে সরকার সেই দায় নেবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান।
তিনি স্পষ্ট করে বলেন, সরকারি দপ্তর বা উন্নয়ন প্রকল্পে কোনো দলীয় সিন্ডিকেট বরদাশত করা হবে না।
শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টায় ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মিলনায়তনে হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, আমরা (বিএনপি) ক্ষমতায় আছি, নিশ্চয় আমাদের নেতাকর্মীরা সুবিধা পাবেন। তবে সরকারের বদনাম হয়, এমন কোনো সুবিধা দেওয়া হবে না। অপরাধী দলের যত বড় নেতাই হোক না কেন, তার একমাত্র পরিচয় সে অপরাধী।
তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘কেউ যদি মনে করেন আওয়ামী লীগ লুটপাট করেছে, আর সেই খালি জায়গায় আপনি নিজেই বসে যাবেন, তাহলে ভুলের স্বর্গে বসবাস করছেন। দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়, এমন কাজ কোনো নেতাকর্মীর কাছ থেকে মেনে নেওয়া হবে না।’
উদাহরণ টেনে মন্ত্রী বলেন, সম্প্রতি বরিশালে দলীয় পরিচয় দিয়ে জোর করে চেক সই করানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। রাত পার হওয়ার আগেই সেই ব্যক্তিকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে।
শৈলকূপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, হাসপাতালটি বর্তমানে ৫০ শয্যার। এর শয্যা সংখ্যা বাড়ানোর চেষ্টা চলছে।
এ সময় হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. নোমান হোসেন, পুলিশ সুপার মিয়া মোহাম্মদ আশীষ বিন হাছান, জেলা সিভিল সার্জন মো. কামরুজ্জামান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাহফুজুর রহমান ও উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. রাশেদ আল মামুন।


