সাগরে মাছ ধরার অনুমতি দিয়ে ১৫ জনের পক্ষে হাইকোর্টের দেওয়া অন্তর্বর্তী আদেশ স্থগিত করেছে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিবের করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শনিবার আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. রেজাউল হকের চেম্বার আদালত এ আদেশ দেয়।
আদালতের এই আদেশের ফলে হাইকোর্টের আগের নির্দেশনার ভিত্তিতে সরকারি নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে সাগরে মাছ ধরার সুযোগ আর থাকছে না বলে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।
আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল, অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল আরশাদুর রউফ ও অনীক আর হক।
অ্যাটর্নি জেনারেল জানান, বিভিন্ন ধরনের মাছ ধরার নৌযানের লাইসেন্সধারী ১৫ জন হাইকোর্টে রিট করেছিলেন। তাদের অভিযোগ ছিল, মাছ ধরতে গেলে কোস্টগার্ড ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাদের হয়রানি করে এবং মাছ ও জাল আটকে দেয়। তবে তারা আদালতের সামনে মাছ ধরার পদ্ধতিটি আইনগতভাবে নিষিদ্ধ হওয়ার বিষয়টি যথাযথভাবে উপস্থাপন করেননি।
তিনি বলেন, রিটের শুনানি শেষে গত ৬ জুলাই হাইকোর্ট রুল জারির পাশাপাশি অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশনা দেয়। ওই নির্দেশনা ছয় মাস কার্যকর থাকার কথা ছিল। এতে রিটকারীদের মাছ ধরতে বাধা না দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, বাংলাদেশে বর্তমানে ইলিশ ধরার নিষিদ্ধ সময় চলছে। এই সময়ে হাইকোর্টের আদেশ ব্যবহার করে রিটকারীরা সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করছিলেন। আদালতের আদেশ দেখিয়ে তারা সাগরে মাছ ধরছিলেন, এমনকি ইলিশও ধরছিলেন।
তিনি আরও বলেন, আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতের আদেশের ফলে ৬ জুলাই হাইকোর্টের নির্দেশনার ভিত্তিতে সরকারি নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে মাছ ধরার যে সুযোগ তৈরি হয়েছিল, তা আর থাকছে না।


