‘ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কাজে আইনি বাধা নেই’

‘ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কাজে আইনি বাধা নেই’
অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল। ফাইল ছবি
Advertisement
Advertisement

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণকাজ এবং এর নিচ দিয়ে চার লেনের রেলপথ নির্মাণ নিয়ে সাত বছর ধরে চলা আইনি জটিলতার অবসান হয়েছে বলে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল।

সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আদেশের ফলে এসব উন্নয়নকাজ চালিয়ে যেতে আর কোনো আইনি বাধা নেই বলে জানান তিনি।

বুধবার আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. রেজাউল হকের চেম্বার আদালত এ বিষয়ে আদেশ দেয়। আদেশে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ও এর নিচে চার লেনের রেললাইন নির্মাণে সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে বাধা নেই বলে স্পষ্ট করা হয়েছে।

শুনানিতে অ্যাটর্নি জেনারেলের সঙ্গে অংশ নেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল আরশাদুর রউফ ও অনীক আর হক এবং ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ওসমান চৌধুরী। অপর পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো. নুরুল আমিন।

শুনানি শেষে আদালত উন্নয়নকাজ চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশনা দেয়। একই সঙ্গে জমির মালিকানা দাবি করা এ এম মোস্তাফিজুর রহমানের ক্ষতিপূরণ বা অ্যাওয়ার্ড মানি পাওয়ার বিষয়ে প্রয়োজনীয় ও কার্যকর ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেয় আদালত।

আরও পড়ুন

পরে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, রাজধানীর মগবাজারের পেয়ারাবাগ অংশের জমির মালিকানা নিয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ে ও এ এম মোস্তাফিজুর রহমানের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ বিরোধের জেরে ওই অংশে প্রায় সাত বছর ধরে উন্নয়নকাজ বন্ধ ছিল।

রুহুল কুদ্দুস কাজল জানান, মোস্তাফিজুর রহমান ২০১৯ সালে ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন। ওই বছরের ২৯ মে তার পক্ষে রায় হয়। তখন ল্যান্ড সার্ভে আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠিত না থাকায় সরকার প্রথমে সুপ্রিম কোর্টে গেলেও কোনো আদেশ পায়নি। পরে আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠিত হলে সরকার সেখানে আপিল করে। ২০২৬ সালের ২ সেপ্টেম্বর ওই আপিলে রেলওয়ের পক্ষে রায় দেওয়া হয়।

এরপর ওই রায় চ্যালেঞ্জ করে এ এম মোস্তাফিজুর রহমান হাইকোর্ট বিভাগে রিট করেন। চলতি বছরের ২৮ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট বিভাগ স্থিতাবস্থা জারি করলে উন্নয়নকাজ আবারও অনিশ্চয়তার মুখে পড়ে।

হাইকোর্টের ওই আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ, রেলওয়ে মন্ত্রণালয়, জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও সেটেলমেন্ট অফিসারের পক্ষ থেকে আপিল বিভাগে সিভিল মিসলেনিয়াস পিটিশন দায়ের করা হয়। বুধবার চেম্বার আদালতে এসব আবেদনের শুনানি হয়।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad