গাজীপুরে সাংবাদিক তুহিন হত্যার ঘটনায় প্রথমবারের মতো আদালতে দায় স্বীকার করেছেন কোনো আসামি।
এ ঘটনায় নিজের দোষ স্বীকার করে সোমবার দুপুরে গাজীপুরের মহানগর হাকিম আদালত-৩ এ জবানবন্দি দেন মামলার আসামি শাহ জালাল।
স্বীকারোক্তি রেকর্ডের পর বিচারক ওমর হায়দার আসামিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
গাজীপুর মেট্রোপলিটন আদালতের পরিদর্শক আহসান উল্লাহ চৌধুরী এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি আরও জানান, সাংবাদিক তুহিন হত্যা মামলায় সাত জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দুই দিনের রিমান্ড শেষে সোমবার দুপুরে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে তাদের আদালতে তোলা হয়। সেখানে সাত জনের মধ্যে শাহ জালাল নামে এক আসামি হত্যার ঘটনায় নিজের দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন।
বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে পৌরসভার চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় প্রকাশ্যে এক ব্যক্তির ওপর হামলার ভিডিও ধারণ করায় সাংবাদিক তুহিনকে কুপিয়ে হত্যা করে চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও ছিনতাইকারী চক্র। তুহিন দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ-এর গাজীপুর প্রতিনিধি ছিলেন। তিনি স্ত্রী ও দুই সন্তান নিয়ে চান্দনায় ভাড়া বাসায় থাকতেন এবং সাংবাদিকতার পাশাপাশি একটি ওষুধ কোম্পানিতে কাজ করতেন।
এই ঘটনায় বাসন থানায় দুটি মামলা হয়েছে। এসব মামলায় এখন পর্যন্ত পুলিশ গ্রেপ্তার করেছেন সাত জনকে।
এর আগে রোববার তুহিনের ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পুলিশের কাছে জমা দিয়েছে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগ।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তুহিনের শরীরের বুক-গলা ছাড়াও বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাত পাওয়া গেছে। তাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলেই ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।


