সন্ত্রাসবাদের ক্রমবর্ধমান ও পরিবর্তিত হুমকি মোকাবিলায় আরও জোরালো আন্তর্জাতিক সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাংকেতিক যোগাযোগব্যবস্থা, ভার্চুয়াল সম্পদ এবং অন্য ডিজিটাল প্রযুক্তির অপব্যবহারের মাধ্যমে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলো তাদের কার্যক্রম বিস্তৃত করছে বলে উদ্বেগ জানিয়েছে ঢাকা।
বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদবিরোধী কৌশলবিষয়ক বিতর্কে বক্তব্য দেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী। তিনি সন্ত্রাসবাদ ও সহিংস উগ্রবাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের ‘শূন্য সহনশীলতা’ নীতির পুনর্ব্যক্ত করেন।
রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী বলেন, সন্ত্রাসবাদ ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন বন্ধ ও মোকাবিলায় বাংলাদেশের একটি শক্তিশালী আইনগত ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো রয়েছে। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থা এবং আর্থিক গোয়েন্দা ইউনিটের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে।
তিনি বলেন, সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় নেওয়া সব পদক্ষেপ অবশ্যই আইনের শাসন এবং মানবাধিকারের প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধার ভিত্তিতে পরিচালিত হতে হবে।
সন্ত্রাসবাদের মূল কারণ মোকাবিলায় ইসলামবিদ্বেষ ও বিদ্বেষমূলক বক্তব্য প্রতিরোধ এবং উন্নয়নশীল দেশগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা আরও জোরদার করা প্রয়োজন বলেও মনে করেন সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী।


