শ্রীমঙ্গল সংলগ্ন এলাকার ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী খাবার, পণ্য ও বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি নিয়ে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী বর্ণিল ‘হারমোনি ফেস্টিভ্যাল’।
শুক্রবার শ্রীমঙ্গলের ফুলছড়া চা বাগান মাঠে আয়োজিত এই উৎসবের উদ্বোধন করেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশের পর্যটন খাতকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য কাজ করে যাচ্ছি। দেশের পর্যটন খাতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং এথনিক ট্যুরিজমের বিকাশের লক্ষ্যে আমরা দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রণয়ন করছি।
তিনি বলেন, স্থানীয়দের দাবির প্রেক্ষিতে এখানে একটি নৃ-গোষ্ঠী সাংস্কৃতিক একাডেমি প্রতিষ্ঠায় সরকার কাজ করবে। পাশাপাশি, বিদেশি পর্যটকদের আকর্ষণ করতে সিলেট বিমানবন্দর সম্প্রসারণের পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। পর্যটনের মাধ্যমে সিলেটকে আমরা বিশ্বের কাছে তুলে ধরতে চাই।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে অঞ্চলভিত্তিক সুষম উন্নয়ন ও পর্যটন খাতের বিকাশে কমিউনিটি ট্যুরিজম, এথনিক এবং ওয়াটার ট্যুরিজমের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে স্থান পেয়েছে।
ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের বিলুপ্তপ্রায় বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতির পুনরুদ্ধার ও টেকসই রূপদানের লক্ষ্যেই বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় যৌথভাবে এই হারমোনি ফেস্টিভ্যালের আয়োজন করেছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য এম নাসের রহমান, মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহমিদা আখতার এবং মাঠ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
পর্যটন শিল্পে দেশীয় পণ্যের উন্নয়ন ও প্রচারের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড প্রতিবছর শ্রীমঙ্গলে একটি নির্দিষ্ট দিনে এই উৎসব আয়োজনের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এর ফলে ট্যুর অপারেটরগণ সহজেই দেশি-বিদেশি পর্যটকদের জন্য ইনবাউন্ড প্যাকেজ প্রস্তুত ও বিপণন করতে সক্ষম হবেন।


