হাফ ভাড়াকে কেন্দ্র করে শ্রমিক-শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষের জেরে বরিশালে দূরপাল্লা ও অভ্যন্তরীণ সবগুলো রুটে বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে দুর্ভোগে পড়েন যাত্রীরা।
রোববার সকাল থেকে বরিশাল কেন্দ্রীয় নথুল্লাবাদ বাস টার্সিনাল থেকে দূরপাল্লা ও অভ্যন্তরীণ রুটের কোনও বাস ছেড়ে যায়নি। টার্মিনালে এসে বাস না পেয়ে অনেকেই ফিরে যান।
শনিবার সন্ধ্যায় হাফ ভাড়াকে কেন্দ্র করে বাসশ্রমিকদের সঙ্গে ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ হয়, এসময় অর্ধশতাধিক বাস ভাঙচুর করা হয়। এতে টার্মিনাল ও আশপাশের এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
এসময় ঢাকা-বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়কের নথুল্লাবাদ টার্মিনাল এলাকায় দুই ঘণ্টা যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকে। পরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনলে সড়কে আবার যানবাহন চলাচল শুরু হয়।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, হাফ ভাড়া দেওয়ার সময় বাসের সুপারভাইজার অশালীন আচরণ করেন। এ নিয়ে তর্কের এক পর্যায়ে শ্রমিকরা হামলা শুরু করে।
এদিকে বাস শ্রমিকরা অভিযোগ করেন, কলেজ বন্ধের দিনও হাফ ভাড়া দেওয়া নিয়ে এক শিক্ষার্থীর সঙ্গে বাসশ্রমিকের তর্কের জের ধরে উত্তেজনা তৈরি হয়। পরে কয়েকশ শিক্ষার্থী নথুল্লাবাদ স্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে থাকা অর্ধশতাধিক বাস ভাঙচুর করে। শ্রমিকদেরও মারধর করা হয়।
ভাঙচুরের ঘটনায় প্রায় তিন কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানান বরিশাল বাস মালিক গ্রুপের সভাপতি মোশারেফ হোসেন। টিকেট কাউন্টার বন্ধ রাখা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বাসগুলো এমন অবস্থায় সড়কে চলাচলের উপযোগী নয়। তাই সেগুলো বন্ধ রাখা হয়েছে।’


