নির্বাচনী সহিংসতায় শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিমের মৃত্যুর ঘটনায় হত্যা মামলা হয়েছে। শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনে নির্বাচনী সমাবেশে বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত হন গত বুধবার নিহত হন রেজাউল করিম।
অবশেষে তিনদিন পর শুক্রবার রাতে ঝিনাইগাতী থানায় হত্যা মামলা করেন তার স্ত্রী মারজিয়া (৩৪)। মামলায় ২৩৪ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞানামা আরও চার থেকে পাঁচ শতাধিক ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে।
তালিকায় বিএনপির বেশ কয়েকজন হেভিওয়েট নেতাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের বহু নেতাকর্মীর নাম রয়েছে বলে জানা গেছে।
জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা হাফিজুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আইনের প্রতি পূর্ণ আস্থা রেখে জামায়াতে ইসলামী এই মামলায় আইনগত লড়াই চালিয়ে যাবে এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে।
শেরপুর জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা হয়েছে। আসামি ধরতে এরইমধ্যে অভিযান শুরু হয়েছে। দ্রুতই তাদের গ্রেপ্তার করা হবে।
এদিকে, নির্বাচনী সমাবেশে জামায়াত নেতা নিহতের ঘটনায় গত বৃহস্পতিবার ঝিনাইগাতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশরাফুল আলম রাসেল ও ঝিনাইগাতি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে নাজমুল হাসানকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
গত বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেলে শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে জামায়াত ও বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে গুরুতর আহত হন শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিম। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।


