বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার পরিস্থিতি অপরিবর্তিত থাকলে শিগগির দেশে ফিরবেন দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বিএনপির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়।
তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়াকে বিদেশে নেওয়ার মতো শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণের পর তারেক রহমান দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেবেন। পরিস্থিতি অপরিবর্তিত থাকলে শিগগির দেশে ফিরবেন তিনি।’
এর আগে, দুপুরে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন জানান, তারেক রহমানের দেশে ফেরার বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে নেই। তিনি এখনো ট্রাভেল পাস চাননি, চাওয়ামাত্রই তা ইস্যু করা হবে। তাকে দেশে ফিরতে সব ধরনের সহযোগিতা করবে সরকার।
আরেক প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, খালেদা জিয়া দেশের বাইরে চিকিৎসা নিতে চাইলে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে সরকার। তবে সিদ্ধান্ত দল ও পরিবারের।
এদিকে, বিএরপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এজেডএম জাহিদ হোসেন জানিয়েছেন, ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া চিকিৎসা গ্রহণ করতে পারছেন। তার অবস্থা নিয়ে দেশবাসীকে গুজবে কান না দেওয়ারও আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘আল্লাহর রহমতে তিনি চিকিৎসা গ্রহণ করতে পারছেন বা আমরা যদি বলি তিনি মেইনটেইন করতে পারছেন।’
খালেদা জিয়ার সর্বশেষ অবস্থা বলতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন জাহিদ হোসেন। খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে নেওয়ার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘রোগীর অবস্থা ও মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শের বাইরে কিছু করার সুযোগ এখন নেই।’
গত ২৩ নভেম্বর রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে। তিনি হৃদযন্ত্র ও ফুসফুসের সংক্রমণে ভুগছেন।
এ ছাড়া রয়েছে কিডনি, লিভার, আর্থ্রাইটিস ও ডায়াবেটিসের সমস্যা। সোমবার বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আহমেদ আজম খান জানান, বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা ‘খুব ক্রিটিকাল’।


