শিক্ষার্থীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ব্যক্তিগত আচরণে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) প্রশাসন।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কিছু শিক্ষার্থীর বক্তব্য, মন্তব্য এবং মতামত, ছবি ইত্যাদি ব্যক্তির ধর্ম, বিশ্বাস এবং সংস্কৃতির প্রতি ‘অবমাননাকর’ এবং ‘অসম্মানজনক’।
শনিবার গণসংযোগ দপ্তর থেকে প্রেরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ছাড়া ব্যক্তি পর্যায়েও এরূপ আচরণ দেখা যাচ্ছে, যা অত্যন্ত নিন্দনীয় এবং অনভিপ্রেত। কর্তৃপক্ষ কোনো অপতৎপরতা রোধে পদক্ষেপ নিতে দ্বিধাবোধ করবে না বলেও জানানো হয়।
এতে বলা হয়, ধর্ম, সংস্কৃতি ও আচার-অনুষ্ঠানের ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ প্রকাশের মাধ্যমে হিংসা-বিদ্বেষ ছড়ানো একটি অপরাধ। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে এ জাতীয় অপরাধের ঘটনা এবং এর ফলে সৃষ্ট পরিস্থিতির জন্য নির্ধারিত শাস্তি রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ রক্ষার জন্য আমরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।’
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ‘দেশে বিভিন্ন ধর্ম, বর্ণ ও গোত্রের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে অত্যন্ত সম্প্রীতি ও সহমর্মিতার সঙ্গে বসবাস করে আসছে। পারস্পরিক সম্মানবোধ এবং সম্প্রীতির মনোভাব থাকা যেকোনো বিবেকবান মানুষ এবং সুনাগরিকের গুরুত্বপূর্ণ পরিচায়ক।
ঢাবির শিক্ষার্থীদের কাছে এ ক্ষেত্রে দেশের জনগণের প্রত্যাশা আরও বেশি। দেশ ও জাতির সংকটকালে ঢাবির শিক্ষার্থীদের অবদান নিয়ে আমরা যেভাবে গর্ববোধ করি, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উদাহরণ সৃষ্টির ক্ষেত্রেও একইভাবে আমরা গর্ব করতে চাই বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।


