সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় ‘প্রশ্নফাঁসের’ সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মিনারুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
শুক্রবার সন্ধ্যায় জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল, কুড়িগ্রাম জেলা শাখার দপ্তরের দায়িত্বে থাকা সদস্য তৌহিদুল ইসলাম তারেক স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়। ওই শাখার আহ্বায়ক আরমান হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
অভিযুক্ত স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মিনারুল ইসলাম একই সঙ্গে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এবং বামনডাঙ্গা ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক।
মিনারুলকে দল থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত জানিয়ে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘দলীয় ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন ও শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে কুড়িগ্রাম জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নাগেশ্বরী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মিনারুল ইসলামকে দলীয় সকল পদ ও দায়িত্ব থেকে বহিষ্কার করা হলো।’
তবে একই অভিযোগে মিনারুলকে উপজেলা ও ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে কি না তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এর আগে শুক্রবার দুপুরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা শুরুর আগে নাগেশ্বরী উপজেলা শহরের কাজি মার্কেটের পিছনের একটি বাসা থেকে মিনারুল ইসলামসহ ছয় জনকে ‘প্রশ্নপত্রের’ ফটোকপি ও ডিজিটাল ডিভাইসসহ আটক করে পুলিশ। অন্য আরেকটি অভিযানে একটি মাইক্রোবাস থেকে চালকসহ ‘প্রশ্নফাঁসের’ সঙ্গে যুক্ত আরও পাঁচজনকে আটক করে পুলিশ।
এছাড়াও পরীক্ষা চলাকালে উপজেলার একটি কেন্দ্রের ভিতর ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহারের দায়ে এক পরীক্ষার্থীকে তিন দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই অভিযোগে আরেক নারী পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়।


