বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সারদের দক্ষতা কাজে লাগিয়ে লিথুয়ানিয়ার প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো দক্ষিণ এশিয়ার বাজারে কার্যক্রম সম্প্রসারণ করতে পারে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
রোববার সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত লিথুয়ানিয়ার অনাবাসিক রাষ্ট্রদূত ডায়ানা মিকেভিচিয়েনের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন। বৈঠকে দুই দেশের বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং প্রযুক্তি খাতে সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আতাউর রহমান খান উপস্থিত ছিলেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ ও লিথুয়ানিয়ার মধ্যে বর্তমান বাণিজ্যের পরিমাণ সীমিত হলেও সহযোগিতা বাড়ানোর বড় সুযোগ রয়েছে। বাংলাদেশের দ্রুত বিকাশমান আইসিটি খাত, দক্ষ তরুণ জনশক্তি ও ফ্রিল্যান্সারদের সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে লিথুয়ানিয়ার প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো দক্ষিণ এশিয়ার বাজারে প্রবেশ করতে পারে।’
তিনি আরও বলেন, বিদেশি বিনিয়োগের জন্য বাংলাদেশ একটি সম্ভাবনাময় গন্তব্য। বিনিয়োগ প্রত্যাহার ও মুনাফা নিজ দেশে ফেরত নেওয়ার সুবিধাসহ আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ এখানে নিশ্চিত করা হয়েছে।
লিথুয়ানিয়ার রাষ্ট্রদূত ডায়ানা মিকেভিচিয়েন বলেন, ‘লিথুয়ানিয়া লেজার প্রযুক্তি, গভটেক ও ফিনটেক খাতে অগ্রসর হয়েছে। বাংলাদেশের ডিজিটাল রূপান্তর ও সাইবার নিরাপত্তা জোরদারে দেশটি অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা দিতে আগ্রহী।
দুই দেশের সরকারি ও বেসরকারি খাতের মধ্যে অংশীদারিত্ব বাড়ানো গেলে প্রযুক্তি, উদ্ভাবন ও বিনিয়োগে নতুন সুযোগ তৈরি হবে বলেও জানান তিনি।
বৈঠকে বাণিজ্য সম্প্রসারণে দ্রুত পদক্ষেপ, ব্যবসায়ী পর্যায়ে যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তিনির্ভর খাতে যৌথ উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।


