সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে সহিংসতা বা নাশকতামূলক পরিস্থিতি মোকাবিলার প্রস্তুতি হিসেবে লালমনিরহাটে যৌথ মহড়া করেছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
বৃহস্পতিবার দুপুরে লালমনিরহাট সদর উপজেলার নেসারিয়া কামিল মাদ্রাসাকে একটি মডেল ভোটকেন্দ্র হিসেবে সাজিয়ে এ মহড়া চালানো হয়। মূলত ভোটের মাঠে ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং দুষ্কৃতিকারীদের দমনে বাহিনীর সক্ষমতা ঝালিয়ে নিতেই এই আয়োজন।
ভোটকেন্দ্র ঘিরে নিরাপত্তার এ মহড়ায় সেনাবাহিনী, র্যাব, বিজিবি, পুলিশ, আনসার ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা অংশ নেন।
মহড়ায় একদল দুষ্কৃতকারী ভোটকেন্দ্র দখল ও ভোটারদের মাঝে আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা করছে-এমন একটি কৃত্রিম পরিস্থিতি তৈরি করা হয়। সেখানে দুস্কৃতকারীরা ভোট বানচাল করতে লাঠিসোটা নিয়ে মিছিল ও অগ্নিসংযোগ শুরু করে। অবরুদ্ধ করা হয় ভোটকেন্দ্রের দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিজাইডিং কর্মকর্তাকে।
শুরুতে ভোটকেন্দ্রে থাকা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দুষ্কৃতকারীদের নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। পরিস্থিতি সামাল দিতে না পেরে উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হয়। পরে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা সেখানে পৌঁছে বিশেষ কৌশলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। দুস্কৃতকারীদের গ্রেপ্তারের পর আবার শুরু হয় ভোটগ্রহণ।
নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দেওয়ার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে মহড়া হয়েছে। যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সব বাহিনী এখন একক কমান্ডের অধীনে কাজ করতে প্রস্তুত। সাধারণ ভোটারদের মধ্যে আস্থার পরিবেশ সৃষ্টি এবং বিশৃঙ্খলাকারীদের প্রতি কঠোর সতর্কবার্তা দেওয়াই এই মহড়ার মূল উদ্দেশ্য।


