হাতিয়ার তমরুদ্দি লঞ্চঘাট থেকে ঢাকাগামী লঞ্চে এক কলেজছাত্রীকে কেবিনে ধর্ষণের মামলায় একজন আসামি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। অপর আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।
মঙ্গলবার ঢাকার আদালতে গ্রেপ্তার দুই আসামির মধ্যে মোহাম্মদ নুরুজ্জামান মিঠু (৩২) স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। তথ্য দেন প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক (এসআই) আবুল কালাম আজাদ। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সিদ্দিক আজাদ তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন।
একই আদালত অপর আসামি মোহাম্মদ সাকিব উদ্দিনকে (২৬) পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন। এসআই আজাদ জানান, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক মোহাম্মদ মশিউল আলম আদালতে আসামিদের হাজির করেন। নুরুজ্জামান স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়ায় তা রেকর্ড করা হয় এবং সাকিবের সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করা হয়।
ঘটনা ঘটে গত রোববার হাতিয়ার তমরুদ্দি লঞ্চঘাট থেকে ঢাকাগামী ফারহান-৪ লঞ্চে। ওই ছাত্রী (১৭) অভিযোগ করেন, লঞ্চে তার কেবিনে দুইজন আসামি ওঠে এবং তাকে ধর্ষণ করে।
ঘটনার পর তার ভাই বাদি হয়ে সোমবার রাতে কোতোয়ালি থানায় সাকিব ও নুরুজ্জামানের নামে মামলা করেন। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ্ মো. ফয়সাল আহমেদ জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর ভুক্তভোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং বিস্তারিত শুনে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, মেয়েকে তার বাবা কেবিনে তুলে দিয়ে চলে আসে। পরে সাকিব ও নুরুজ্জামান কেবিনে প্রবেশ করে তাকে নির্যাতন চালায়।


