রুমায় হামের প্রকোপ চরমে

রুমায় হামের প্রকোপ চরমে
ছবি: টাইমস
Advertisement
Advertisement

বান্দরবানের রুমা উপজেলায় হাম ছড়িয়ে পড়েছে। গত দুসপ্তাহে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১১০ জন। হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে তিন শিশু।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবদুল্লাহ আল হাসান জানান, ম্রো ও খুমী অধ্যুষিত প্রত্যন্ত অঞ্চলে হামের প্রকোপ বেশি।

স্থানীয় সূত্র জানায়, আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা সরকারি তথ্যের দ্বিগুণ। মারা যাওয়া সাত শিশু হলো ফ্যালে এ্যাং খুমী, ক্রেপা খুমী, শইপ্রা খুমী, পলি এ্যাং খুমী, প্রেতেম এ্যাং খুমী, পও এ্যাং খুমী ও কুপাও ম্রো।

ডা. হাসান জানান, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কোনো রোগী মারা যায়নি। বিভিন্ন সূত্র থেকে তিন শিশুর মৃত্যুর খবর পেয়েছি। যোগাযোগব্যবস্থা না থাকায় রুমার বাসিন্দারা থানচি ও রোয়াংছড়িতে চিকিৎসা নিয়েছেন। তাদের যুক্ত করলে আক্রান্তের সংখ্যা ২০০ ছাড়াবে।

আরও পড়ুন

অ্যাম্বুলেন্সের অভাবে চট্টগ্রাম নেওয়ার পথে এক শিশুর মৃত্যুর বিষয়ে তিনি বলেন, খারাপ রাস্তার কারণে সরকারি অ্যাম্বুলেন্স দ্রুত নষ্ট হয়। মেরামতবাবদ সরকার থেকে ১ লাখ টাকা দেওয়া হয়। ভ্যাট ও ট্যাক্স বাদ দিয়ে থাকে ৮০ হাজার টাকা। এই টাকায় অ্যাম্বুলেন্স সচল রাখা কঠিন।

স্বাস্থ্যকর্মীরা প্রত্যন্ত অঞ্চলে না গিয়ে ঘরে বসে প্রতিবেদন দেন— এমন অভিযোগে এক স্বাস্থ্যকর্মীকে শোকজ করা হয়েছে। প্রতিটি শিশুকে টিকা দেওয়া নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী ও বিজিবির সহযোগিতা নেওয়া হবে।

বান্দরবানের সিভিল সার্জন ডা. শাহীন হোসাইন চৌধুরী জানান, বুধবার ২৯ জুলাই রুমা উপজেলার ৪১ জন হাম রোগী চিকিৎসাধীন আছেন। এর মধ্যে সদর হাসপাতালে ৩৬ জন ও রুমা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫ জন রয়েছেন। পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান থানজামা লুসাই সদর হাসপাতাল পরিদর্শন করে আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad