লালবাগ থানার হত্যাচেষ্টার মামলায় গ্রেপ্তার সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীকে রিমান্ডে নিতে পুলিশের আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছে আদালত। সেইসঙ্গে তার জামিন আবেদনও নামঞ্জুর করেছে আদালত।
মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালত এই আদেশ দেয়।
এর আগে মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে ধানমন্ডির নিজ বাসা থেকে আটকের পর রাজধানীর লালবাগ থানার এক হত্যাচেষ্টা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখায় ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)।
এরপর দুপুর ১টা ৫৫ মিনিটের দিকে সাদা মাইক্রোবাসে করে শিরিন শারমিনকে আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় তাকে রাখা হয় সিএমএম আদালতের হাজতখানায়।
গ্রেপ্তার আসামিকে কারাগারে আটক রাখার আবেদনের পর দুদিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে আবেদন করে ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগ। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের লালবাগ জোনাল টিমের পরিদর্শক মোহসীন উদ্দীন এ আবেদন করেন।
২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ২ সেপ্টেম্বর পদত্যাগ করেন শিরীন শারমিন। এরপর থেকে তাকে আর প্রকাশ্যে দেখা যায়নি।
২০১৩ সালের ৩০ এপ্রিল বাংলাদেশের সর্বকনিষ্ঠ এবং প্রথম নারী স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত হন শিরীন শারমিন। এরপর পদত্যাগের আগ পর্যন্ত টানা তিনবার তিনি জাতীয় সংসদের স্পিকারের দায়িত্ব পালন করেছেন।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সহিংসতার ঘটনায় তার বিরুদ্ধে রংপুরেও মামলা রয়েছে। রংপুরে গুলিবিদ্ধ হয়ে স্বর্ণশ্রমিক মুসলিম উদ্দিন (৩৮) নিহত হওয়ার ঘটনায় ২০২৪ সালের ২৭ আগস্ট শিরীন শারমিন চৌধুরী, সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশিসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন নিহতের স্ত্রী।


