রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ নিয়ে চলমান আলোচনা ও গুঞ্জনের বিষয়ে কিছু জানা নেই বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
শুক্রবার দুপুর সোয়া ১২টায় থাই এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নেমে সাংবাদিকদের তিনি জানান, গত কয়েক দিন দেশের বাইরে থাকায় রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ সংক্রান্ত বিষয়গুলো সম্পর্কে তিনি অবগত নন।
ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য গত ১৯ জুলাই থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে যান স্পিকার। রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে আলোচনার মধ্যে নির্ধারিত সময়ের দুই দিন আগেই শুক্রবার তিনি দেশে ফেরেন।
বিমানবন্দরে গণমাধ্যমকে স্পিকার বলেন, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করলে সংবিধান অনুযায়ী সাময়িকভাবে স্পিকারের দায়িত্ব নিতে হয়। আর সংবিধান অনুযায়ী স্পিকারের কাছেই পদত্যাগপত্র জমা দেন রাষ্ট্রপতি।
গত কয়েক দিন ধরে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা চলছে। বিভিন্ন সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, তিনি শিগগির পদত্যাগ করতে পারেন। স্পিকার আগাম দেশে ফেরায় রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের আলোচনা আরও জোরালো হয়েছে।
সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে বা তিনি দায়িত্ব পালনে অক্ষম হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার ভারপ্রাপ্ত বা অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। সে ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়া পর্যন্ত এ দায়িত্ব পালন করবেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
স্পিকার সাময়িকভাবে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করলেও, সংবিধানের ১২৩ (১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদের সদস্যদের ভোটে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করা বাধ্যতামূলক।
২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল পাঁচ বছরের জন্য রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেন মো. সাহাবুদ্দিন। ২০২৮ সালের এপ্রিলে তার মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা।


