ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, রাজধানীতে বর্তমানে ১৯টি গুরুত্বপূর্ণ ইন্টারসেকশনে এআই-ভিত্তিক ট্রাফিক ক্যামেরা চালু রয়েছে। আগে ১৫টি ইন্টারসেকশনে এআই ক্যামেরা ছিল, মঙ্গলবার আরও চারটি যুক্ত হওয়ায় মোট ১৯টি ইন্টারসেকশনে এই প্রযুক্তি চালু হয়েছে। পাশাপাশি অন্য গুরুত্বপূর্ণ জংশনেও এআই ক্যামেরা স্থাপনের কাজ চলমান রয়েছে।
রাজধানী ঢাকার তেজগাঁও ট্রাফিকের ডিসি কার্যালয়ে মঙ্গলবার দুপুরে আয়োজিত তেজগাঁও বিভাগের লেক রোডে এআই ক্যামেরার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘এআই ক্যামেরা ব্যবহার করে এ পর্যন্ত প্রায় দেড় হাজার ট্রাফিক মামলা করা হয়েছে। প্রতিটি মামলার জরিমানার পরিমাণ আলাদা হওয়ায় মোট আদায়ের হালনাগাদ তথ্য ট্রাফিক বিভাগের কাছে রয়েছে।’
রাজধানীর সড়কে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণের প্রশ্নের জবাবে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘এসব যানবাহনের বিরুদ্ধে ডিএমপির অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে রাজধানীর সড়ক থেকে সব অটোরিকশা সরিয়ে দেওয়া সম্ভব নয়।’
‘ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা বিষয়ে একটি নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও ডিএমপি। এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে ডিএমপি সংশ্লিষ্ট অন্য অংশীজন সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করছে। সমন্বিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ধাপে ধাপে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে’, যোগ করেন তিনি।
এআই ট্রাফিক প্রসিকিউশন নিয়ে কমিশনার বলেন, ‘ক্যামেরায় শনাক্ত হওয়া ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে শুধু মোবাইলে বার্তা নয়, ডাকযোগেও (বাই পোস্ট) অভিযুক্ত গাড়ির নিবন্ধিত মালিকের ঠিকানায় প্রসিকিউশনের নোটিশ পাঠানো হয়। একই সঙ্গে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের নির্ধারিত নম্বর থেকেও এসএমএস পাঠানো হয়। এ ছাড়া বিষয়টি ডিএমপির ট্রাফিক ও ওয়েবসাইটেও প্রকাশ করা হয়।’
গাড়ি বিক্রি হলেও মালিকানা পরিবর্তন না করায় নোটিশ পুরোনো মালিকের কাছে যাচ্ছে- এমন প্রশ্নের জবাবে কমিশনার জানান, এ পর্যন্ত প্রায় ৩৮ হাজার সমন ইস্যু করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের অতিরিক্ত কমিশনার আনিসুর রহমানসহ ডিএমপি ও তেজগাঁও বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন


