রাজধানীতে রোববার রাত থেকেই বৃষ্টি শুরু হয়। সোমবার ভোরের দিকে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বেশ বেড়ে যায়। এদিন সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত নগরীতে তিন ঘণ্টায় বৃষ্টি হয়েছে ৭১ মিলিমিটার। আগের দিন রাত ১২টা থেকে সকাল পর্যন্ত ৯ ঘণ্টা রাজধানীতে মোট ১০৫ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়। এতে নগরীর অনেক জায়গায় পানি জমে কর্মস্থলে যেতে ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা।
বৃষ্টিপাতের কারণে নগরীর ধানমন্ডি, মোহাম্মদপুর, কলাবাগান, কারওয়ান বাজার, গ্রিনরোড, মণিপুরিপাড়া, নিউমার্কেট, আসাদগেট, জিগাতলাসহ বিভিন্ন রাস্তায় কোথাও হাঁটুপানি এবং কোথাও কোমরসমান পানি জমে যায়। জলাবদ্ধতার কারণে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। জলাবদ্ধতা ও যানজটের কারণে অফিসগামী মানুষজন এবং স্কুলের শিক্ষার্থীদের যাতায়াত করতে হিমশিম খেতে হয়েছে।
এদিকে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হওয়ায় দেশের অন্যান্য প্রান্তেও বৃষ্টি হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ফেনীতে দেশের সর্বোচ্চ ১১৬ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়। মৌসুমী বায়ুও বাংলাদেশের উপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারী অবস্থায় রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
আবহাওয়াবিদ হাফিজুর রহমান স্বাক্ষরিত পূর্বাভাসে বলা হয়, পূর্ব মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উত্তর বঙ্গোপসাগর এলাকায় ২৪ সেপ্টেম্বরের দিকে আরেকটি লঘুচাপ সৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে এবং এটি আরও ঘণীভূত হতে পারে।
এ ছাড়াও সোমবার খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারী ধরনের বৃষ্টি অথবা বজস্রহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারী ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
আবহাওয়া অধিদপ্তর আরও জানায়, সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।


