রংপুরে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (বিএডিসি) গভীর নলকূপের ঘরে পা বাঁধা অবস্থায় এক নিরাপত্তাকর্মী মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। একইদিন স্থানীয় আমবাগান থেকে অজ্ঞাত এক ব্যাক্তির গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
থানাসূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকাল ৯ টার দিকে পীরগঞ্জের বড় আলমপুর ইউনিয়নের বড় উমরপুর গ্রামে একটি গভীর নলকূপের ঘর থেকে মফিজার রহমান (৪৫) নামে এক ব্যাক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি ওই এলাকার আমজাদ হোসেনের ছেলে। বৈদ্যুতিক গভীর নলকুপটি পাহাড়া দিতেন মফিজার রহমান।
প্রাথমিক তদন্তে পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজমুল হক জানান, বুধবার রাতের কোন সময় দুর্বৃত্তরা তাকে ঘরের ভেতরে হাত পা বেঁধে পিটিয়ে হত্যা করে। এর পর বিদ্যুতের খুঁটিতে থাকা তিনটি ট্রান্সমিটারের ভেতরের তামার তারসহ আনুসঙ্গিক জিনিসপত্র চুরি করে ট্রান্সমিটারের খালি খোলগুলো ফেলে রেখে যায়।
ধারণা করা হচ্ছে, তার চুরি করতে গিয়েই দুর্বৃত্তরা তাকে হত্যা করে। মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে বলেও জানান ওসি নাজমুল হক।
অন্যদিকে মিঠাপুকুর থানার ওসি মো. নুরুজ্জামান জানান, স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে উপজেলার ময়েনপুর ইউনিয়নের নাগেরজাট সড়কের কসবা এলাকায় হাঁড়িভাঙ্গা আমের বাগান থেকে একটি গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
তার পরনে শার্ট ও লুঙ্গি ছিল। তবে পরিচয় এখনও শনাক্ত করা যায় নি। দুর্বৃত্তরা তাকে হত্যার পর সেখানে ফেলে রেখে যায়। মরদেহটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।
রংপুর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক জানান, দুটি ঘটনাটিকে গুরুত্বের সাথে নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।


