মুন্সিগঞ্জে পানিতে ডুবে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ শিক্ষার্থীর মৃত্যু

মুন্সিগঞ্জে পানিতে ডুবে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ শিক্ষার্থীর মৃত্যু
প্রতীকী ছবি
Advertisement
Advertisement

মুন্সিগঞ্জ শহরের পশ্চিম দেওভোগ এলাকায় পুকুরে গোসল করতে নেমে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে।শুক্রবার বিকাল ৫টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন মো. সোপান (২৪) এবং মো. আজওয়াদ (২৩)। সোপান পশ্চিম দেওভোগ এলাকার প্রয়াত মোস্তাকুর রহমানের ছেলে এবং আজওয়াদ ঢাকার মিরপুর-১৩ এলাকার বাসিন্দা রিপনের ছেলে। তারা উভয়েই ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানিয়েছেন, দুপুরে ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থান থেকে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৩ থেকে ১৫ জন শিক্ষার্থী সোপানের বাড়িতে বেড়াতে আসেন। বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে তাদের কয়েকজন বাড়ির পাশের পুকুরে গোসল করতে নামেন। এ সময় আজওয়াদ পা পিছলে পানিতে পড়ে যান। তিনি সাঁতার না জানায় ডুবে যেতে থাকলে তাকে উদ্ধার করতে এগিয়ে যান সোপান। কিন্তু একপর্যায়ে তারা দুজনই পানিতে তলিয়ে যান।

পরে বন্ধু ও স্থানীয়দের সহায়তায় তাদের উদ্ধার করে মুন্সিগঞ্জ সদর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

আরও পড়ুন

মুন্সিগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক মুহাম্মদ সফিকুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে রওনা হলেও পথে জানতে পারেন স্থানীয়র দুই বন্ধুকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেছে। পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা হাসপাতালে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করে ফিরে আসেন।

এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. কামরুল হাসান বলেন, ‘বন্ধুর বাড়িতে বেড়াতে এসে পানিতে নেমে দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।’

মুন্সিগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক মুহাম্মদ সফিকুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে রওনা হলেও পথিমধ্যে জানতে পারেন স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেছে। পরে ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা হাসপাতালে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করে ফিরে আসেন।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিনুল ইসলাম বলেন, ‘কয়েক বন্ধু মিলে মুন্সিগঞ্জের আরেক বন্ধুর বাসায় বেড়াতে এসে গোসল করতে নেমে পানিতে ডুবে দুই বন্ধু মারা গেছে। অন্যান্য সঙ্গীদের নিকট থেকে জানতে পারলাম একজন সাঁতার জানতো তবে আরেকজন সাঁতার জানতেন কি না, তা এখনো পর্যন্ত সঠিক জানা যায়নি। ইতোমধ্যে মরদেহ দুটির  সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করা হয়েছে। এ বিষয়ে অপমৃত্যুর মামলা করা প্রক্রিয়াধীন। তবে তাদের পরিবার যদি মনে করে মরদেহ ময়নাতদন্তের প্রয়োজন আছে তাহলে তা করা হবে, অন্যথায় তাদের মরদেহ যার যার পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হবে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad